তিরুঅনন্তপুরম: কেরলের ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ১৮ জনের। এর মধ্যে এক ব্যক্তি ও আরও এক আহত ব্যক্তির শরীরে করোনা পজিটিভ মিলেছে। ফলে রিপোর্ট আসতেই ৫০ জন উদ্ধারকারীকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। এদিকে, বিমানের সব যাত্রী-কর্মীদের ও উদ্ধারকাজে যারা ছিল তাদের সকলের করোনা পরীক্ষা হবে বলে জানিয়েছে কেরল সরকার।

কেরলের শিক্ষামন্ত্রী কেটি জলীল জানিয়েছেন, মৃত করোনা পজিটিভ যাত্রীর স্যাম্পেল পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছিল, যার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ৪৫ বছরের ওই ব্যক্তির নাম সুধীর বলে জানা গিয়েছে।

শুক্রবার সন্ধেয় কেরলের কোঝিকোড়ে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা ঘটনা ৷ অবতরণের সময় রানওয়েতে পিছলে গিয়ে দু’টুকরো হয়ে যায় এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের বিমানটি ৷ খাদে পড়ে দু’টুকরো হয়ে যায়। এয়ার ইন্ডিয়া বিমানটি দুবাই থেকে কোঝিকোড় (কালিকট)-এর উদ্দেশে শুক্রবার বিকেলে ১৮৪ জন যাত্রী ও ৭ জন বিমানকর্মী-সহ মোট ১৯১ জনকে নিয়ে রওনা দেয়।

ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল অন্তত ১৯ জনের। কেরলের বিমানবন্দরে অবতরণের সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে। শুক্রবার রাতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা ঘটে। কেরলের এই কোঝিকোড় বিমানবন্দর ভারতের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ বিমাবন্দরগুলির মধ্যে একটি। আর সেখানেই এই দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে ৩৫ ফুট উঁচু থেকে পড়ে যায় বিমানটি। আর তার ফলেই এই দুর্ঘটনা ঘটে।

ভারতের বন্দে ভারত মিশনের অধীনেই এই বিমান দুবাই থেকে আসছিল। সেখান থেকে আটকে থাকা যাত্রীদের নিয়ে আসা হচ্ছিল। কোঝিকোড়ের কারিপুর এয়ারপোর্টের রানওয়ে পেরিয়ে পড়ে যায় বিমানটি।

ভারতের অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী বলেন, বৃষ্টির জন্যই এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে। খারাপ আবহাওয়ার জন্য ৩৫ ফুট গভীরে পড়ে যায় বিমানটি। আর তাতেই দু ভাগে ভেঙে যায় ওই বিমান।

তিনি জানিয়েছেন এটি একটি টেবিল টপ এয়ারপোর্ট, তাই এখানে অবতরণ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। টেবিল টপ এয়ারপোর্ট অর্থাৎ যেখানে রানওয়ের দু’পারে রয়েছে খাদ। আর সেখানেই ৩৫ ফুট খাদে পড়ে গিয়েছে বিমানটি। যদিও ইঞ্জিনে আগুন না লাগায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন অনেকেই।

ডিজিসিএ-র তরফে জানানো হয়েছে, দুবাই-কোঝিকোড় এয়ারক্রাফটটি ছিল ফুল স্পিডে। প্রথন চেষ্টায় নামতে পারেনি ওই বিমান। দ্বিতীয়বারের চেষ্টায় সেটি নামে।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা