শ্রীনগর: রবিবার সকালে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে উত্তপ্ত হয়েছিল জম্মু-কাশ্মীরের ডোদা জেলা। সেই ঘটনায় শহিদ হয়েছেন একজন সেনা জওয়ান। পাশাপাশি নিকেশ করা গিয়েছে এক জঙ্গিকে।

একজন জঙ্গি নিকেশ করা হয়েছে ডোডা জেলার দছলানাতে এবং মনে করা হচ্ছে আরও এক জঙ্গি সেখানে লুকিয়ে রয়েছে। দু’জনেই হিজবুল মুজাহিদিনের অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। মনে করা হচ্ছে তাঁদের মধ্যে একজনের নাম তাহির যিনি হিজবুল জঙ্গি এবং কাশ্মীরের পুলওয়ামার বাসিন্দা।

অন্যদিকে, রবিবার সকালে ফের যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করল পাকিস্তান। সকাল ৮ টা ৪০ নাগাদ জম্মু কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলায় গুলি ছুঁড়ে হামলা চালায় পাকিস্তানি সেনা।

লকডাউনের মধ্যে গোটা দেশ কার্যত স্তব্ধ থাকলেও কাশ্মীরে পাক উৎপাতের বিরাম নেই। মাঝেমধ্যেই বিনা প্ররোচনায় হামলা চালাচ্ছে পাকিস্তানি সেনারা। আবার অন্য দিকে ভূ-স্বর্গে জঙ্গি দমনেও ভারতীয় সেনাকে কড়া হতে হছে। নিয়মিত ভাবে এনকাউন্টার চলছে সেনা ও জঙ্গি বাহিনীর।

শনিবারও নিরাপত্তা রক্ষীদের হাতে গ্রেফতার হয় লস্কর-ই-তৈবার শীর্ষস্থানীয় জঙ্গি জাহুর ওয়ানি। বুদগাম জেলার আরিজাল খানসাহিব এলাকায় একটি আস্তানা থেকে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। জাহুর ওয়ানির থেকে অস্ত্র ও গুলিও উদ্ধার করা হয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ তার বিরুদ্ধে একটি মামলাও দায়ের করে।

উল্লেখ্য, চলতি মাসেই সেনার সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে খতম হয় হিজবুল কমান্ডার রিয়াজ নাইকু। মাত্র দিন দশেক আগে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াইইয়ে নিকেশ হয় ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ রিয়াজ নাইকু। তাঁর মাথার দাম ছিল ১২ লক্ষ টাকা।

নাইকুকে খতম করার সময়েও জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ, সেনাবাহিনী ও সিআরপিএফ যৌথভাবে সেই অভিযান চালিয়েছিল। কাশ্মীরে একাধিক অপহরণের ঘটনায় যুক্ত ছিল এই রিয়াজ নাইকু। তাকে খতম করার পর মাত্র ১০ দিনের মধ্যে লস্কর-ই-তৈবার শীর্ষস্থানীয় জঙ্গি জাহুর ওয়ানিকে গ্রেফতার করায় পরপর বড় সাফল্য এল ভারতের হাতে।

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV