স্টাফ রিপোর্টার, বর্ধমান: স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে পায়ে গুলি করে টাকা ও গয়না ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে, এক যুবককে গ্রেফতার করেছে খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ। ধৃতের নাম শেখ মতিলাল ওরফে মতি। খণ্ডঘোষ থানার কেঁউদিয়ায় তার বাড়ি।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার গভীর রাতে গৌরাঙ্গ রোড মোড়ের কাছে বাইক নিয়ে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরির সময় তাকে হাতেনাতে ধরা হয়। ধৃত ছিনতাইয়ে জড়িত থাকার কথা কবুল করেছে। তার কাছ থেকে ৬ হাজার ৫০০ টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেই বাইকটিও পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে। বৃহস্পতিবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। বাকি জড়িতদের হদিশ পেতে এবং গয়না ও বাকি টাকা উদ্ধারের জন্য ধৃতকে ৭ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আবেদন জানায় পুলিশ। ধৃতকে ৭ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক রতন কুমার গুপ্তা।

প্রসঙ্গত, খণ্ডঘোষ থানার জুবিলার বাসিন্দা শ্রীকান্ত দাসের সগড়াইয়ে সোনার দোকান রয়েছে। অন্যান্য দিনের মতো গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ দোকান বন্ধ করে কর্মচারী প্রদীপ গোস্বামীর সঙ্গে বাইকে চেপে বাড়ি ফিরছিলেন শ্রীকান্ত। তাঁর কাছে একটি ব্যাগ ছিল। ব্যাগে সোনা-রুপোর গয়না সহ নগদ ১৫ হাজার টাকা ছিল। প্রদীপ বাইকটি চালাচ্ছিলেন। জুবিলা হাটতলার কাছে একটি নম্বর প্লেটহীন বাজাজ পালসার বাইকে চেপে এসে ৩ যুবক তাঁদের বাইকের সামনে দাঁড়ায়।

জানা গিয়েছে, এরপর শ্রীকান্তকে বাইক থেকে টেনে নামাতে গেলে বাধা দেন তিনি। তাঁর সঙ্গে দুষ্কৃতিদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। সেই সময় দুষ্কৃতিদের একজন তাঁর ডান পায়ে গুলি করে বলে অভিযোগ। রিভলভারের বাঁট দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করা হয়। এরপর দুষ্কৃতীরা তাঁর কাছে থাকা ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে পালায়। এই ঘটনায় গুরুতর জখম শ্রীকান্তকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। এই বিষয়ে আহত ব্যবসায়ীর বাবা গদাধর দাস থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এদিকে ঘটনার দিন ছিনতাইয়ে তার বাইকটি ব্যবহার করা হয়েছিল বলে দাবি পুলিশের।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ