নয়াদিল্লি: একবার রাম মন্দির নির্মাণ হয়ে গেলে খুব খারাপ অবস্থা হবে ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের। অন্যদিকে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে ভারতীয় জনতা পার্টি। এমনই অভিমত বিজেপি নেতা তথা রাজ্যসভার সাংসদ সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর।

সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে জিতে ফের ক্ষমতায় আসতে চলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। শুধু তাই নয়, এই জয় আসবে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতার সঙ্গে। বুধবার সকালের দিকে ট্যুইট করে তাঁর এই দাবি পেশ করেছেন সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। লোকসভার ৫৪৩টি আসনের মধ্যে বিজেপি ৩৫০টি বিজেপি একাই জিতবে বলে দাবি করেছন তিনি।

এই সাফল্যের জন্য রাম মন্দির নির্মাণ খুবই দরকার বলে দাবি করেছেন সাংসদ সুবেহ্মণ্যম স্বামী। এর কারণও অবশ্য ব্যাখ্যা করেছেন তিনি। তাঁর যুক্তি অনুসারে, ভারতের যুবসমাজ এই মুহূর্তে হিন্দুত্ববাদ এবং জাতীয়তাবাদের সমর্থক হয়েছে। সেই কারণেই আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিপুল জনাদেশ পাবে বিজেপি। আর এই সাফল্য ধরে রাখতে অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ আবশ্যক।

বিজেপি সাংসদ সুব্রহ্মণ্যম স্বামী দাবি করেছেন যে রাম মন্দির নির্মাণ হয়ে গেলে গরুর গাড়ি তিহার বিহার করতে যাবে। একই সঙ্গে লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ৩৫০ আসনে জয়লাভ করবে।

নাম উল্লেখ না করলেও গরুর গাড়ি বলতে যে তিনি কংগ্রেসকেই বুঝিয়েছেন তা বলাই বাহুল্য। গত জুলাই মাসের শুরু দিকে একটি জনসভায় দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কংগ্রেসকে গরুর গাড়ির সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “কংগ্রেসকে এখন অনেক লোক ‘বেল গাড়ি'(গরুর গাড়ি) বলে থাকে। কংগ্রেসের অনেক বড় বড় নেতা এবং পূর্বতন মন্ত্রীরা এখন বেল(জামিন) পেয়ে বাইরে আছেন।”

সেই সময় থেকেই অনেক বিজেপি নেতা কংগ্রেসকে গরুর গাড়ি বলে কটাক্ষ করতে শুরু করেছেন। সেই প্রসঙ্গটিকেই এদিন ফের খুঁচিয়ে তুলেছেন সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। ট্যুইটারে লিখেছেন, “রাম মন্দির নির্মাণ হয়ে গেলে গরুর গাড়ি তিহার বিহারে যাবে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.