হায়দরাবাদ: পরীক্ষার খাতায় নম্বর তুলতে বেশ কষ্ট করতে হত। আর আজ একটা আস্ত কোম্পানি মালিক তিনি। আর সেই সংস্থায় কি বানানো হয় জানেন? অ্যারোস্পেস আর টার্বাই্নের যন্ত্রপাতি।

হায়দরাবাদের বাবার ওয়ার্কশপে কাজ করতেন রাকেশ চোপদার। বর্তমানে আজাদ ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ডিরেক্টর তিনি। স্কুল ছেড়ে দিয়েছিলেন অল্প বয়সেই। খুব চেষ্টা করেও পরীক্ষার খাতায় মনে করে কিছুই লিখতে পারতেন না তিনি। কিছুতেই পড়ার বিষয়গুলো মাথায় ঢুকত না তাঁর।

স্কুল ছেড়ে দেওয়ার পর আত্মীয়রা তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশেষ চিন্তিত ছিলেন। তিনিও নিজেও দিশাহীন হয়ে পড়েছিলেন। বুঝতে পারছিলেন না কি করা উচিৎ।

কিন্তু আজও চোপদার বলেন, ডিগ্রিটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তবে একজন সফল মানুষ হওয়ার ক্ষেত্রে ডিগ্রিটাই শেষ কথা হতে পারে না।

বাবার ফ্যাক্টরিতে তৈরি হত নাটবল্টু। সেই কাজ করতে শুরু করেন তিনি। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং কী, সেখান থেকেই বুঝতে শুরু করেন তিনি। সেখান থেকেই বিভিন্ন জিনিস তৈরি করার পদ্ধতি সম্পর্কে অবগত হন তিনি।

বর্তমানে তাঁর নিজের সংস্থায় তৈরি হয় অ্যারোস্পেস ও পাওয়ার জেনারেশনের জিনিসপত্র। আর সেইসব জিনিস নেয় মিৎসুবিসি, তোশিবা, স্কোডা, রোলস রয়েসের মত সংস্থা।

শুধু তাই নয়, সুখোই জেটের ব্লেড ও ব্রহ্মোস মিসাইলের যন্ত্রও বানিয়েছেন তিনি।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও