নয়াদিল্লি : করোনা বিধি মেনে নয়, চেনা সময়েই বসতে চলেছে সংসদের (Parliament) অধিবেশন। সাংসদদের বিশেষ অনুরোধে (request of MPs) মঙ্গলবার থেকে করোনা পূর্ববর্তী সময় ধরেই সংসদের দুই কক্ষের (Houses of Parliament) অধিবেশন বসতে চলেছে। সকাল এগারোটায় শুরু হবে অধিবেশন।

রাজ্য সভা ও লোকসভা দুই কক্ষেই সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনে বসছিল অধিবেশন। সকাল ৯টা থেকে বেলা দুটো পর্যন্ত রাজ্য সভার অধিবেশন চলবে বলে জানিয়ে ছিলেন লোকসভার স্পীকার ওম বিড়লা। রবিবার তিনি আরও জানিয়ে ছিলেন লোকসভার অধিবেশন শুরু হবে বেলা ৪টে থেকে। চলবে ১০টা পর্যন্ত। কিন্তু সাংসদের অনুরোধে সেই সময়সূচি বদলে দিতে হচ্ছে। জানা গিয়েছে রাজ্য সভার পক্ষ থেকে বন্দনা চৌহান চেয়ারম্যান ভেঙ্কাইয়া নাইডুকে একটি চিঠি দিয়ে এই অনুরোধ জানান।

চিঠিতে অনুরোধ করা হয়, যাতে রাজ্যসভার সময় করোনা পূর্বে নির্ধারিত বেলা এগারোটা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত হয়। সেই দাবি মেনে ভেঙ্কাইয়া নাইডু রাজ্যসভার সময় বদলে দেন। মঙ্গলবার থেকে ১১টা থেকে ৬টা পর্যন্ত চলবে রাজ্যসভার অধিবেশন। অন্যদিকে, পরে লোকসভার ক্ষেত্রেও একই ঘোষণা করা হয়। শনিবার সাংসদরা জানান, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে অধিবেশন চলার মেয়াদ কমাতেই এই সিদ্ধান্ত। সেক্ষেত্রে রোজ যদি কম সময় ধরে অধিবেশন চলে, তবে সংসদ বন্ধ হওয়ার মেয়াদও বাড়বে।

বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় দফার সমাপ্তি হতে চলেছে আটই এপ্রিল। বাজেট অধিবেশনের প্রথম দফা শুরু হয় জানুয়ারির ২৯ তারিখ। শেষ হয় ফেব্রুয়ারি ২৯ তারিখ। প্রথম দফায় সাংসদদের উপস্থিতি ছিল ৯৯.৯ শতাংশ। পয়লা ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ বাজেট পেশ করেন। লোকসভা সচিবালয় সূত্রে খবর বাজেট অধিবেশন ২০২১-এ লোকসভার কাজের সময় মোট ৫০ ঘন্টার মধ্যে ৪৯ ঘন্টা ১৭ মিনিট। অধিবেশনে অংশ নিয়েছিলেন ৪৯ জন মহিলা সাংসদ।

এদিকে, মঙ্গলবার থেকেই সংসদ চত্বরে করোনা ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্প খোলা হয়েছে। সমস্ত করোনা বিধি মেনে ক্যাম্প খোলা হয়েছে। প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীরা এখানে কাজ করবেন। লোকসভা বুলেটিনে বলা হয়েছে, সাংসদদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখেই ক্যাম্প করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.