নয়াদিল্লি: নির্বাচনের মুখে প্রধানমন্ত্রীর বায়োপিক নিয়ে বিতর্কের ঝড় তুঙ্গে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, বিশেষত কংগ্রেস দাবি করেছে নির্বাচনের সময় এই ছবি মোদীর গুণকীর্তন ছাড়া আর কিছুই না। এবার এই বিতর্কে মুখ খুললেন ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন যিনি, সেই বিবেক ওবেরয়। ছবির প্রিমিয়ারে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছবি বিরোধিতার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর বায়োপিকে প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকাতেই অভিনয় করেছেন বিবেক ওবেরয়। চলতি সপ্তাহেই ৫ এপ্রিল মুক্তি পেতে চলেছে ছবিটি। কিন্তু তাঁর আগেই ছবির মুক্তি নিয়ে কথা উঠেছে জাতীয় আঙিনায়। নির্বাচনী প্রচারের অজুহাতে কংগ্রেস নেতারা ছবিটির মুক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা দাবি করে কোর্টে আবেদন জানিয়েছেন। সেই প্রসঙ্গে ছবির প্রিমিয়ারে নরেন্দ্র মোদী সম্পর্কে বিবেক বলেছেন, ” ইতিমধ্যেই তিনি দেশ ও বিদেশের কোটি কোটি মানুষের কাছে নায়ক। “

৪২ বছর বয়সী এই অভিনেতা ছবিটির প্রতি ভীষণভাবে আশাবাদী। যে ছবি দীর্ঘদিন পর আবার তাঁকে রূপোলী পর্দায় ফিরিয়ে এনেছে। বলেন, “আমি সত্যিই বুঝতে পারছি না কেন মানুষ বিষয়টি নিয়ে এত আলোচনা করছেন। কেন অভিষেক সিংভি থেকে শুরু করে কপিল সিব্বলের মত প্রবীণ আইনজীবীরা এমন ছবিটির প্রতি জনস্বার্থের মামলা করে সময় নষ্ট করছেন। জানি না তাঁরা কি এই ছবি নিয়ে ভয় পেয়েছেন! নাকি চৌকিদারের ডাণ্ডার ভয়ে ভীত হয়েছেন!”

সাংবাদিকদের সামনে ছবির প্রিমিয়ারে অভিনেতা বলেন, ” তিনি যা নন মোদীজির বিষয়ে তা জানানো হয়নি। তিনি সত্যিই জীবনের চেয়ে বড়। আমরা তাঁকে হিরো হিসেবে দেখাইনি। তিনি সত্যিই একজন হিরো। শুধু আমার কাছেই নয়, দেশ – বিদেশের কোটি কোটি জনগণের কাছেই তাই। এটা একটা অনুপ্রেরণামূলক ছবি যেটা আমরা দর্শকের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি মাত্র। “

কংগ্রেস ও বামেদের অভিযোগের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছেন বিবেক ওবেরয় ও তাঁর আইনজীবী। পরিচালক উমং কুমারের এই ছবি ইতিমধ্যেই সাড়া ফেলেছে সিনেপ্রেমী মানুষের মনে। আড়াই মিনিটের ছবির ট্রেলর লঞ্চের পরই তা মিলিয়ন ভিউজ ছুঁয়েছে খুব অল্প সময়েই। এই ছবি মোদীর কিশোর জীবন থেকে তুলে ধরেছে প্রধানমন্ত্রী হয়ে ওঠা পর্যন্ত সময়ের জীবন্ত ইতিহাস।

বছরের তৃতীয় রাজনৈতিক ছবি এই পিএম নরেন্দ্র মোদী। এর আগে জানুয়ারিতে মনমোহন সিং-এর জীবনী নিয়ে রচিত “অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার” ছবিটিও বিতর্কের ঝড় তুলেছিল। ওই মাসেই মুক্তি পায় শিবসেনা সুপ্রিমো প্রয়াত বাল ঠাকরের জীবনীর উপর নির্মিত ছবি ‘ঠাকরে’৷ দুটি ছবি উঠে এসেছিল সংবাদ শিরোনামে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।