নিউ ইয়র্ক: রবিবারই ঘটতে চলেছে এক মহাজাগতিক ঘটনা। তারই আগাম বার্তা দিয়েছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।

রবিবার কার্যত সেই মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী থাকতে চলেছে পৃথিবী। এক বিশাল আকারের গ্রহাণু চলে যাবে পৃথিবীর কাছ ঘেঁষে, যা নাকি দুবাইয়ের বুর্জ খলিফার আকারের সমান। ঘণ্টায় ৯০,১২৪ কিমি গতিতে গ্রহাণুটি পৃথিবীর পাশ দিয়ে চলে যাবে বলে জানিয়েছে নাসা।

গ্রহাণুটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘১৫৩২০১ ২০০০ ডব্লু ও ১০৭’। সাধারণত পৃথিবীর কক্ষপথে এত বড় আকারের কোনও গ্রহাণু এলে বিপদের আশঙ্কা থাকে। তবে কী এবার সত্যিই কোনও ভয়? বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, এই গ্রহাণুর ফলে পৃথিবীর কোনও বিপদের আশঙ্কা নেই।

নাসা সূত্রে খবর, পৃথিবী থেকে ৪,৩০২,৭৭৫ কিমি দূর দিয়ে চলে যাবে গ্রহাণুটি। এটির আকার ১২,০০০ থেকে ২৫,৭০০ ফুটের মধ্যে। ব্যাস ২,৬৯০ ফুটের মতো।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো প্রদেশে এই গ্রহাণু আবিষ্কার করেছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। তবে এই গ্রহাণুটি পৃথিবীর কক্ষপথ দিয়ে গেলেও, সেটিকে খালি চোখে দেখা যাবে না বলেই নাসা সূত্রে খবর।

তবে ছোট টেলিস্কোপের সাহায্যে দেখা যেতে পারে।

নাসার পক্ষ থেেক জানানো হয়েছে, মহাকাশে এখনও পর্যন্ত ১,০৩১,৪৮৮টি গ্রহাণু তৈরি হয়েছে। প্রায় ৪.৬ বিলিয়ন বছর আগে সৌরজগৎ তৈরি হওয়ার শুরুর দিকে এই পাথুরে, বাতাসহীন গ্রহাণুগুলি তৈরি হয়।

এই গ্রহাণুগুলি পৃথিবীর কক্ষপথে এলে কিছুটা প্রভাব ফেলেই। তবে এবার কোনও প্রভাব পড়বে না বলেই জানিয়েছে নাসা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।