নয়াদিল্লিঃ   প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর ‘সাহসে’র প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।  যেভাবে ১৯৯৮-এ আজকের দিনে তাঁর সবুজ সঙ্কেতেই গোটা বিশ্বের নজর এড়িয়ে পোখরান পরমাণু পরীক্ষা হয়।  আর যেভাবে বাজপেয়ী এই সাহস দেখিয়েছেন তাতে কুর্নিশ জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

নরেন্দ্র মোদী টুইট করে বলেছেন,  ১৯ বছর আগে আজকের দিনে বাজপেয়ীর প্রধানমন্ত্রিত্বে পোখরানে পরপর ৫টি পরীক্ষামূলক পরমাণু বিস্ফোরণের প্রথমটি করে ভারত।  এই ব্যাপারে নরেন্দ্র মোদী ডট ইন ওয়েবসাইটে মোদীর এক পুরনো বক্তৃতার উল্লেখ করা হয়েছে।  তাতে তিনি বলেছেন, সফল ওই পরমাণু পরীক্ষাগুলি গোটা বিশ্বের সামনে ভারতের শৌর্যকে তুলে ধরে, বিজ্ঞানীরা গর্বিত করেন দেশকে।  প্রথমে আন্তর্জাতিক দুনিয়া আমাদের ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দেয়।  কিন্তু ঠিক দুদিন পর ফের পরমাণু পরীক্ষার কথা বলেন বাজপেয়ী।  যেভাবে বিশ্বের তৎকালীন শক্তিধর দেশগুলি ভারতের উপর চাপ বাড়াতে থাকে, বাজপেয়ীর জায়গায় অন্য কেউ হলে দিশাহীন হয়ে পড়তেন বলে দাবি মোদীর।  কিন্তু বাজপেয়ী ওই অবস্থায় দাঁড়িয়ে যেভাবে এগিয়ে গিয়েছেন তা অকল্পনীয়।

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ীকে কুর্নিশ জানানোর পাশাপাশি  পরমাণু পরীক্ষা করতে দেওয়ার জন্য পোখরানের বাসিন্দাদেরও ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।