নিউইয়র্ক: এবার সূর্যকে ছোঁবে নাসার মহাকাশযান৷ হ্যাঁ, ঠিকই পড়ছেন৷ নাসার পরবর্তী মিশন সূর্য৷ পার্কার নামের মহাকাশযানে ভর করে সূর্যকে স্পর্শ করবে নাসা৷

মহাকাশ গবেষণা সংস্থা- নাসার এই যানটিই হবে মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে প্রথম কোনও স্পেসক্রাফ্ট যা সূর্যের পরিমণ্ডলের গভীরে প্রবেশ করবে। যানটির উৎক্ষেপণ করা হবে ২০১৮ সালের জুন মাসে। কিন্তু নাসা বলছে, এটি সূর্যের চারদিকে ঘুরতে শুরু করবে ২০২৪ সাল থেকে। সূর্যের উপরপৃষ্ঠ অত্যন্ত গরম। সেখানকার তাপমাত্রা ১০ হাজার ডিগ্রি ফারেনহাইটেরও বেশি।

আর তাই পার্কারের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, প্রচণ্ড গরমের মধ্যে টিকে থাকা। সূর্যের পরিমণ্ডল বা ফটোস্টিম্ফিয়ারের যে জায়গায় থেকে এটি ঘুরবে, সেখানকার তাপমাত্রা এক হাজার ৩০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা আড়াই হাজার ডিগ্রি ফারেনহাইট।

সূর্যের চারদিকে এর ঘোরার গতি হবে ঘণ্টায় চার লক্ষ ৩০ হাজার মাইল। পার্কার তৈরি করে এই যানটিকে মহাকাশে পাঠাতে নাসার খরচ হবে প্রায় দেড় বিলিয়ন ডলার। এর আকার হবে ছোট্ট একটি গাড়ির সমান। সূর্য থেকে প্রায় ৪০ লক্ষ মাইল দূরে থেকে পার্কার নিজের কাজ করবে৷

পার্কার জানার চেষ্টা করবে সূর্যের গঠন সম্পর্কে৷ নাসার এই মিশনের বিজ্ঞানী নিকি ফক্স বলছেন, বিশাল সূর্যের চারদিকে পার্কার ঘুরবে মোট ২৪ বার। সূর্যের বাইরের অ্যাটমসফিয়ারের পরিবেশ আরও কঠিন ও জটিল। প্রচণ্ড তাপমাত্রার সঙ্গে আছে তেজস্ক্রিয় রশ্মির বিকিরণ। নিকি ফক্স আরও বলেন, পার্কারের সাফল্যের ওপর তাদের ভরসা আছে৷ তাঁরা মনে করেন মহাকাশ থেকে তাঁদের কাছে প্রচুর তথ্য পাঠাবে এই পার্কার৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.