হায়দরাবাদ: ভারী বৃষ্টির জেরে বিধ্বস্ত নিজামের শহর হায়দরাবাদ। রাস্তাঘাট জলের তল্য চলে গিয়েছে। আলাদা করে রাস্তা ও নদী চেনার কোনও উপায় নেই। গাড়িগুলি অধিকাংশই জলের তলায়। এমনকি স্রোতের তীব্রতা এতটাই, যার জেরে রীতিমতো জলের টানে ভেসে গিয়েছে গাড়ি।

একটি একমিনিটের ভিডিও ক্লিপসে দেখা যাচ্ছে, একটি অটোরিকশা ও একটি গাড়ি জলের তোড়ে ভেসে যাচ্ছে। গাড়ির মালিক ও স্থানীয়রা তাঁদের গাড়ি বাঁচাতে রীতিমতো লড়াই করছে।

ইতিমধ্যেই গত রাত্রে শহরের বেশ কয়েকটি জায়গায় নতুন করে বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। যার জেরে ব্যাপক সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। অন্য একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, বন্যার জলের তোড়ে রাস্তা থেকে একটি গাড়ি ভেসে যাচ্ছে।

ভয়াবহ বন্যার জেরে আপাতত পাওয়া খবর অনুযায়ী তেলেঙ্গনায় কমপক্ষে ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আনুমানিক প্রায় ৬০০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এমন প্রচণ্ড বৃষ্টিপাত হায়দরাবাদে নজির বলে জানানো হয়েছে। একাধিক এলাকা জলের তলায় ডুবে যায়। জানা গিয়েছে, শুধুমাত্র গ্রেটার হায়দরাবাদে কমপক্ষে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মর্মান্তিক এক ঘটনা ঘটেছে হায়দরাবাদে। জলের তোরে ভেসে যায় একই পরিবারের নয় ব্যক্তি। তাঁদের মধ্যে আপাতত তিনজনের দেহ উদ্ধার করা গিয়েছে। এক শিশুসহ আরও পাঁচজনের সন্ধান চলছে। ৯ জনের মধ্যে একমাত্র জীবিত রয়েছেন ৫৫ বছরের মহম্মদ আবদুল তাহির কুরেশি।

জানা গিয়েছে, তাহির কুরেশি ও তাঁর পরিবারের সকলে রাস্তা পার হয়ে তাঁদের প্রতিবেশীর বাড়িতে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তাঁরা প্রবল জলস্রোতের মধ্যে পড়েন। তাহির কুরেশি এক কিলোমিটার দূরে একটি গাছ ধরে প্রাণে বাঁচেন।

বন্যার জেরে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে তেলেঙ্গনা। তবে প্রতিবেশী অন্ধ্রপ্রদেশ ও কর্ণাটকেও বন্যার জেরে ক্ষতি হয়েছে। তেলঙ্গানার মন্ত্রী কেটি রমা রাও শনিবার জানিয়েছেন, বন্যাকবলিত পরিবারগুলিকে চিহ্নিত করা হবে এবং তাদের বাড়িতে রেশন দ্রব্য পৌঁছে দেওয়া হবে।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।