বেজিং: চিনের কুইংডাওতে পৌঁছেছে ভারতীয় নৌসেনার জাহাজ আইএনএস শক্তি৷ এটি যুদ্ধ জাহাজ না হলেও মহাসাগরে ভেসে বেড়াতে তার অবদান অনস্বীকার্য। ইন্ডিয়ার টাস্ক ফোর্সকে জ্বালানি ভরতে সাহায্য করে ‘শক্তি’।

চিনের নৌবাহিনীর ৭০ তম বর্ষপূর্তিতে অংশগ্রহণ করতেই আইএনএস শক্তির এই চিনভ্রমণ বলে নৌসেনা সূত্রে খবর৷ উল্লেখ্য চিনে ২১শে এপ্রিল থেকে ২৬শে এপ্রিল ‘পিপলস লিবারেশন আর্মি’র ৭০তম বর্ষপূর্তিতে চিনা নৌসেনাবাহিনী আয়োজিত ‘ইন্টারনেশ্যাল ফ্লিট রিভিউ’-এ ভারতীয় নৌসেনার এই জাহাজ অংশগ্রহণ করেছে৷

আরও পড়ুন : ‘গাফিলতি ছিল’ মানছে সন্ত্রাস বিধ্বস্ত শ্রীলঙ্কা

সেই আইএনএস শক্তির মধ্যেই চলল ভারতীয় ও নৌসেনা বাহিনীর উদযাপন৷ রীতিমত ছোলে ভাটুরে খেয়ে এই বিশেষ উদযাপনে অংশ নিলেন দুদেশের নৌঅফিসাররা৷ বন্দর শহর কুইংডাওতে এখন খুশীর মেজাজ৷

তবে শুধু আইএনএস শক্তি নয়, চিনে পৌঁছেছে ভারতীয় নৌসেনার আরও একটি জাহাজ আইএনএস কলকাতা৷ তবে আশ্চর্যের ব্যাপার চিনের তথাকথিত বন্ধু রাষ্ট্র পাকিস্তান এই ‘ইন্টারনেশ্যাল ফ্লিট রিভিউ’য়ে অংশ নেয়নি৷ কেন তারা অংশ নিচ্ছে না, সে বিষয়ে কোনও সরকারি বিবৃতিও মেলেনি পাকিস্তানের তরফে৷

আরও পড়ুন : ভারতে হামলার ছক করতে বৈঠক, পাকিস্তানে ফের সক্রিয় মাসুদ আজহার

আইএনএস কলকাতা সর্বাধুনিক ডেস্ট্রয়ার৷ উল্লেখ্য, ২০২৭ সালের মধ্যে ২০০ রণতরী, ৬০০ এয়ারক্রাফট ও হেলিকপ্টার আসতে চলেছে ভারতীয় সেনার অস্ত্রাগারে৷ ডেস্ট্রয়ারটি ভারতীয় যুদ্ধজাহাজগুলির কলকাতা ক্লাসে যে তিনটি রণতরীতে রয়েছে সুপারসনিক সারফেস টু সারফেস ব্রহ্মস মিসাইল ও বারাক-৮ সারফেস টু এয়ার মিসাইল৷

এছাড়া রয়েছে ইনট্রিগ্রেটেড সিপডাটা নেটওয়ার্ক, কমব্যাট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, অটোমেটিক পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ও অক্সিলারি কনট্রোল সিস্টেম৷বিশেষজ্ঞদের মতে পাক নৌবাহিনী চেয়ে ভারতীয় নৌবাহিনীকে এগিয়ে রেখেছে সুপারসনিক মিসাইল ব্রহ্মস৷ যা শব্দের চেয়ে তিনগুণ বেশি দ্রুত আঘাত হানতে পারে৷