মস্কো: রাশিয়া মহাকাশ এবং পারমানবিক শক্তিতে আবার শীর্ষে পৌঁছাবে। সোমবার ইউরি গ্যাগারিনের ঐতিহাসিক মহাকাশ অভিযানের ৬০ তম বার্ষিকী। এদিন রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন দেশবাসীকে প্রতিশ্রুতি দেন রাশিয়া আবার মহাকাশ এবং পারমানবিক শক্তিতে শীর্ষ স্থান বানাবে।

আজ থেকে ৬০ বছর আগে ইউরি গ্যাগারিন ১৯৬১ সালের ১২ই এপ্রিল প্রথম মহাকাশে গিয়েছিলেন।ঠান্ডা লড়াইয়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন তখন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। মহাকাশ দৌড়েও জোর টক্কর দিচ্ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। গ্যাগারিনের মহাকাশ যাত্রা এবং নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরে আসার ঘটনাটি ছিল আমেরিকার বিরুদ্ধে সোভিয়েতের ইউনিয়নের সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ।

মহাকাশে সোভিয়েত ইউনিয়নের এই জয় জাতীয় গর্ব হিসাবে আজও অব্যাহত রয়েছে।ঐতিহাসিক এই অভিযানের ৬০তম বার্ষিকী উপলক্ষে ভ্লাদিমির পুতিন মস্কোর ৮৬০ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে এঙ্গেলস শহরের নিকটে গ্যাগারিনের একটি স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়েছিলেন।

এদিন পুতিন তার কর্মকর্তাদের বলেন, “নিঃসন্দেহে এটি একটি দুর্দান্ত ঘটনা যা বিশ্বকে বদলে দিয়েছে। আমরা সর্বদা গর্বিত হব যে এটিই আমাদের দেশ যা বিশ্বের অন্যান্য দেশকে মহাকাশে যাওয়ার পথ প্রশস্ত করেছিল। একবিংশ শতাব্দীতে এসে রাশিয়াকে মহাকাশ এবং পারমানবিক ক্ষেত্রে সেই শক্তি বজায় রাখতে হবে। মহাকাশ খাত সরাসরি প্রতিরক্ষার সাথে যুক্ত। সুতরাং শীর্ষে পৌঁছাতে হবে।”

পৃথিবীর কক্ষপথে গ্যাগারিনের ১৮০ মিনিট আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দিয়েছিল।এবং সোভিয়েত ইউনিয়নে তিনি বীরের মর্যাদা অর্জন করেছিলেন। তার এই কৃতিত্বের জন্যে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে মূর্তি বানানো হয়েছিল। এবং ছবি আঁকা হয়েছিল।

সোমবার ক্রেমলিন প্রাচীরের পাদদেশে রাশিয়ান মহাকাশ সংস্থার প্রধান রোসকোমোস এবং কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যরা গ্যাগারিনের সমাধিতে ফুল দিয়েছিলেন। মহাকাশেও এই দিনটি উদযাপন করা হয়। মহাকাশচারী ওলেগ নভিটস্কি ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন (আইএসএস)-এর ভিডিও প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের বিজ্ঞানী এবং ইঞ্জিনিয়াররা আমাদের দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে শ্রেষ্ঠত্বের প্রমান দিয়েছিলেন। এবং আমাদেরকে বিশ্বের প্রথম মহাকাশ শক্তি হিসাবে গড়ে তুলেছিলেন।”

রোসকোমোস সাম্প্রতিক বছরগুলিতে একাধিক দুর্নীতির শিকার হয়েছে, এর মধ্যে রয়েছে দেশের সুদূর পূর্বের ভোস্টোচনি কসমোড্রোম নির্মাণের সময় যেখানে ঠিকাদারদের রাষ্ট্রীয় তহবিল আত্মসাৎ করার অভিযোগ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.