ওয়াশিংটন : দুই দেশই সন্ত্রাস ও নাশকতার গভীর ক্ষত নিয়ে পথ চলে। একদিকে যদি টুইন টাওয়ার ধ্বংস্ব আতঙ্ক জাগায়, আরেকদিকে ভয়াবহতার কথা মনে করায় ছাব্বিশ এগারোর মুম্বই হামলা। এবার তাই ছাব্বিশ এগারোর মুম্বই হামলার ১২ বছর পূর্তিতে নাশকতা দমনে ভারতের পাশে থাকার বার্তা দিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর আরব সাগর দিয়ে বাণিজ্যনগরীতে ঢুকে পড়েছিল দশ সশস্ত্র লস্কর জঙ্গি৷ গোটা শহরকে ঘিরে ফেলে শুরু হয় তাদের তাণ্ডব৷ কালাশনিকভ হাতে মুম্বই শহরে দাপিয়ে বেড়ায় আজমল কাসব সহ দশ লস্কর জঙ্গি৷ এলোপাথাড়ি গুলি আর বিস্ফোরণে ১৮ জন নিরাপত্তাকর্মী সহ মৃত্যু হয় ১৬৬ জন নিরীহ মানুষের৷

এই প্রেক্ষিতে ইউএস ব্যুরো অফ সাউথ অ্যান্ড সেন্ট্রাল এশিয়ান অ্যাফেয়ার্স অফ স্টেট ডিপার্টমেন্ট ট্যুইট করে বৃহস্পতিবার। তাঁরা জানায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাস দমনের যে পরিস্থিতিতে ভারতের পাশে রয়েছে। মুম্বই হামলার যে ক্ষতিগ্রস্থরা রয়েছেন, তার মধ্যে রয়েছেন ছয়জন আমেরিকানও।

এর আগেও একাধিকবার পাকিস্তানকে নিশানা করে যৌথ বার্তা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব জানান, পাকিস্তান এমন একটা দেশ যাঁরা রাষ্ট্রসংঘের তালিকায় নিষিদ্ধ ঘোষণা করা জঙ্গিদের মদত যোগায়। এই দেশেই সবথেকে বেশি জঙ্গি সংগঠনের আশ্রয়। তাই সারা বিশ্ব জানে সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে পাকিস্তানের অবদানের কথা। তাই ইসলামাবাদ নিজে কখনও নিজেকে সন্ত্রাসবাদের শিকার হিসেবে প্রতিপন্ন করতে পারবে না।

এদিকে, ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যৌথ বৈঠক থেকে সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে সুর চড়ানো হয়। দুই দেশের দাবি সন্ত্রাসবাদ ও পাকিস্তান মুদ্রার দুই পিঠ। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কার্যত সুর চড়ায় ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবার সদর্থক ব্যবস্থা নিক পাকিস্তান, দাবি দুই দেশেরই।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাবি পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করুক। পাক মাটি সন্ত্রাসবাদকে মদত দিতে যাতে ব্যবহার না করা হয়, তার ব্যবস্থা করা হোক ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে। ছাব্বিশ এগারোর মুম্বই হামলা, উরিতে হামলা বা পাঠানকোট হামলার মতো ঘটনা পাক মাটি থেকেই পরিকল্পিত হয়েছিল। সেই ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।