কলকাতা: কোন লিগে খেলবে দল সেবিষয়ে নিশ্চিত না হয়ে ২০১৯-২০ মরশুম শেষের পরপরই একগুচ্ছ ফুটবলারকে আগামী মরশুমের জন্য চুক্তিবদ্ধ করেছে ইস্টবেঙ্গল। কোয়েসের থেকে সম্প্রতি স্পোর্টিং রাইটস ফিরে পেলেও ইনভেস্টর সমস্যায় আর একটা বছর হয়তো আইএসএলের জন্য অপেক্ষা করতেই হবে লাল-হলুদকে। আর ঠিক সেই কারণে ইস্টবেঙ্গলে খেলতে আসার ব্যাপারে বেঁকে বসলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইরানিয়ান স্ট্রাইকার ওমিদ সিং।

বলবন্ত সিং, মহম্মদ রফিক, কেভিন লোবো সহ একাধিক দেশীয় ফুটবলারের সঙ্গে বিদেশি এই ফুটবলারকে আসন্ন মরশুমের জন্য দলে নিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। ওমিদও ভেবেছিলেন লাল-হলুদ দেশের সর্বোচ্চ লিগ আইএসএল খেলবে। সে কারণেই কলকাতা জায়ান্টদের সঙ্গে কথাবার্তা চূড়ান্ত করে ফেলেছিলেন তিনি। কিন্তু যত দিন যাচ্ছে ইস্টবেঙ্গলের আইএসএলে খেলার সম্ভাবনা তত ফিকে হচ্ছে। এমন সময় এজেন্ট মারফৎ ওমিদের বার্তা পৌঁছেছে ইস্টবেঙ্গল কর্ম-কর্তাদের কাছে। যেখানে ইরানিয়ান ফুটবলারটি ইঙ্গিত দিয়েছেন আই লিগ না খেলার।

সূত্রের খবর, ৩১ অগস্ট পর্যন্তই অপেক্ষা করবেন ওমিদ। তার মধ্যে ইস্টবেঙ্গলের আইএসএলে খেলার ব্যাপারে কোনও সুরাহা না হলে কলকাতার ক্লাবকে ‘গুডবাই’ জানাবেন তিনি। তবে ওমিদ আই লিগে না খেলতে চাইলেও ভারতীয় ব্রিগেডকে নিয়ে খুব একটা সমস্যায় পড়তে হবে না ইস্টবেঙ্গলকে। কেভিন লোবো, মহম্মদ রফিকের মতো প্রাক্তনীরা আসন্ন মরশুমে ফের চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন লাল-হলুদের সঙ্গে। আর দল ।যে লিগেই খেলুক না কেন, তাঁদের কোনও অসুবিধে নেই বলেই জানাচ্ছেন রফিক, লোবোরা। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে ভালো পারফরম্যান্সই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য।

এরমধ্যেই বুধবার নতুন কোচের নাম ঘোষণা করেছে ইস্টবেঙ্গল। ইস্টবেঙ্গলের নতুন কোচ হচ্ছেন গোয়ার মারগাঁওয়ের ফ্রান্সেসকো জোস ব্রুটো দা কোস্তা। দলের হেড কোচ হিসেবে তিনি দায়িত্ব নেবেন নাকি সহকারীর দায়িত্ব সামলাবেন, সেটা স্পষ্ট করা হয়নি ক্লাবের পক্ষ থেকে। তবে এএফসি প্রো লাইসেন্স থাকলেও কোনও কারণে ইস্টবেঙ্গল যদি আইএসএলে খেলার সুযোগ পায় তবুও ম্যানেজারের দায়িত্ব সামলাতে পারবেন না কোস্তা। কারণ আইএসএল ফ্র্যাঞ্চাইজির ম্যানেজার হতে গেলে অবশ্যই বিদেশি হওয়া প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে কোস্তাকে সহকারী রেখে নয়া বিদেশি কোচের সন্ধানে নামতে হবে কর্তাদের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।