পাতিয়ালা: ট্র্যাকে ফিরেই আগুন ঝরালেন অলিম্পিকগামী জ্যাভলিন থ্রোয়ার নীরজ চোপড়া। শুক্রবার পাতিয়ালায় ইন্ডিয়ান গ্রাঁ পি’তে নিজেরই জাতীয় রেকর্ড ভেঙে নতুন জাতীয় রেকর্ড সেট করলেন পানিপথের এই জ্যাভলিন থ্রোয়ার। কোভিডের কারণে একবছরের বেশি সময় ট্র্যাক থেকে বাইরে থাকার পর ট্র্যাকে ফিরেই ৮৮.০৭ মিটার দূরত্ব ছুঁড়লেন নীরজ। যা ছাপিয়ে গেল তাঁর পুরনো রেকর্ড ৮৮.০৬ মিটারকে।

২০১৮ এশিয়ান গেমসে পদক জয়ের পথে পুরনো জাতীয় রেকর্ডটি গড়েছিলেন নীরজ। পাতিয়ালায় এদিন পঞ্চম থ্রো’য়ে নয়া জাতীয় রেকর্ড গড়েন নীরজ। ২৪ বছর বয়সী জ্যাভলিন থ্রোয়ার এদিন প্রথম থ্রো’য়ে ছোঁড়েন ৮৩.০৩ মিটার। এরপর দ্বিতীয় এবং তৃতীয় থ্রো ফাউল করেন ২০১৮ এশিয়াড এবং কমনওয়েলথ গেমসে সোনাজয়ী। চতুর্থ থ্রো’য়ে নীরজ অতিক্রম করেন ৮৩.৩৬ মিটার। এরপর পঞ্চম থ্রো’য়ের সময় নীরজের চিৎকারে ফেটে পড়ে এনআইএস পাতিয়ালা এবং ৮৮.০৭ মিটার দূরত্ব ছুঁড়ে নয়া জাতীয় রেকর্ড গড়েন নীরজ।

নয়া জাতীয় রেকর্ড গড়ে নীরজ জানান, ‘ভীষণ বাতাস বইছিল তবে আজ আমি তৈরি হয়েই এসেছিলাম। আমি আমার প্রিয় জ্যাভলিনটি আজ ব্যবহার করেছি, যা আমায় খুব সহযোগীতা করেছে। অতিমারী অনুশীলনের ক্ষেত্রে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল কিন্তু আমি সবকিছু গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছি। তবে বিশ্বস্তরে নিজেকে প্রমাণ করতে গেলে আমাকে আর ভাল পারফর্ম করতে হবে। কারণ বিশ্বস্তরের সাম্প্রতিক মান খুবই উচ্চ।’

এর আগে ২০২০ জানুয়ারিতে শেষবার দক্ষিণ আফ্রিকায় একটি ইভেন্টে অংশ নিয়েছিলেন নীরজ। সেখানেই টোকিও অলিম্পিকের টিকিট নিশ্চিত করেছিলেন তিনি। এরপর হরিয়ানার হয়ে ইন্ডিয়ান গ্রাঁ পি’তে প্রতিনিধিত্ব করতে প্রথম ট্র্যাকে নামা নীরজের। আগামী ১৫-১৮ মার্চ ফেডারেশন কাপ ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপেও অংশ নেবেন বলে জানিয়েছেন নীরজ।

উল্লেখ্য, প্রতিযোগীতায় দ্বিতীয় স্থানাধিকারী উত্তরপ্রদেশের শিবপাল সিংও টোকিও অলিম্পিকে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন। যদিও ৮১.৬৩ মিটার দূরত্ব ছুঁড়ে নীরজের চেয়ে অনেকটা পিছিয়ে তিনি। হরিয়ানার হয়ে প্রতিনিধিত্ব করা আরেক থ্রোয়ার সাহিল সিলওয়াল ৮০.৬৫ মিটার দূরত্ব ছুঁড়ে টুর্নামেন্টে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।