বারাসত: আশি বছরের বৃদ্ধাকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে খুনের ঘটনায় ফল গণনা পরবর্তী সংঘর্ষ আরও প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তার প্রশ্ন তুলছে। মৃত বৃদ্ধা শোভারানি মণ্ডল উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ার বাসিন্দা। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়া পৌর এলাকায়।

এর আগে সোমবার পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর রক্তাক্ত হয়েছে। চার জনের মৃত্যু হয়। মৃত তালিকায় এক মহিলা। তিনি সিপিআইএম সমর্থক বলে দাবি করেছে সংযুক্ত মোর্চা।

বিভিন্ন জেলায় সংঘর্ষ ছড়াচ্ছে। নির্বাচন চলাকালীন ও গণনা পরবর্তী সময়ে ক্রমে রক্তাক্ত রাজ্য। চলছে রাজনৈতিক সংঘর্ষ। অভিযুক্ত তৃণমূল কংগ্রেস। পাল্টা অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধেও। আক্রান্ত হচ্ছে ভোটে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া সংযুক্ত মোর্চার সমর্থকরা। দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের পাশাপাশি সংঘর্ষে মৃত্যু হচ্ছে।

গণনা পরবর্তী পর্যায়ে ভাটপাড়া উত্তপ্ত। দুষ্কৃতি হামলায় বৃদ্ধার মৃত্যুতে ছড়িয়েছে আতঙ্ক। অভিযোগ, ৮০ বছরের বৃদ্ধা শোভারানি মণ্ডলকে বাঁশ, লাঠি দিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে।

ভোটের ফল বেরোনোর পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ভাটপাড়া, জগদ্দল সহ ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের বহু জায়গা। ভাটপাড়া পৌরসভার ২৮ নম্বর ওয়ার্ড রাহুতা বি আর এস কলোনি অঞ্চলের বাসিন্দা স্থানীয় বিজেপি বুথ প্রেসিডেন্ট কমল মন্ডলের বাড়িতে একদল দুষ্কৃতি হামলা করে। তাঁকে এবং তার স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর করতে থাকে। ছেলে বৌমা কে বাঁচাতে আসেন মা শোভারানি মন্ডল। হামলায় তিনি জখম হন।

হামলায় গুরুতর জখম শোভারানি মণ্ডল ও তাঁর পরিবারের সবাইকে নিয়ে যাওয়া হয় ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় ওই বৃদ্ধাকে পাঠানো হয় কল্যাণী জে এন এম হাসপাতালে। সেখানেই মৃত্যু হয় ৮০ বছরের শোভারানী মন্ডলের। ঘটনার পর এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ প্রশাসন।

নির্বাচনের সময় থেকেই উত্তপ্ত উত্তর ২৪ পরগনা। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষ বারবার উঠে এসেছিল। বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে তৃণমূল বনাম সংযুক্ত মোর্চার আইএসএফ, সিপিআইএমের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। বোমা হামলার ঘটনা ঘটে একাধিক। ফল ঘোষণার পরে তৃণমূলের বিরাট জয়ে বিরোধী শিবির বিরাট ধাক্কা খেয়েছে গোটা রাজ্যেই। যদিও বিজেপি প্রধান বিরোধী হিসেবে উঠে এসেছে। আর নজিরবিহীনভাবে রাজ্যে বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস বিধানসভায় কোনও আসন পাননি। স্বাধীনতার পর থেকে বিধানসভা প্রথমবার এমন রাজনৈতিক বিন্যাস দেখা গেল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.