স্টাফ রিপোর্টার, আলিপুরদুয়ার: গভীর রাতে হাতির হানা থেকে প্রাণে বাঁচলেন এক বৃদ্ধা৷ তিনি বেশ অসুস্থ ছিলেন৷ কোনওক্রমে নিজের প্রাণ বাঁচিয়েছেন তিনি৷

মাত্র দশ মিনিটের মধ্যেই সব কিছু তছনছ করে দিয়ে জঙ্গলে গা ঢাকা দেয় ওই গজরাজ। ঘটনা আলিপুরদুয়ারের মাদারীহাট থানার উত্তর খয়েরবাড়ি এলাকার। ওই ঘটনার সময় ঘরের ভেতরে একাই ছিলেন অসুস্থ বৃদ্ধা গঙ্গাদেবী শর্মা। বরাত জোরে বেঁচে যান তিনি।

কিন্তু খাবারের সন্ধানে আসা ওই বুনো দাঁতাল মুহূর্তেই লন্ডভন্ড করে দেয় টিনের চালের পাকা বাড়িটি। ব্যবহারের আসবাবপত্রও ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত গঙ্গাদেবী শর্মা জানিয়েছেন “আমার চলাফেরা করার ক্ষমতা পর্যন্ত নেই। কি ভাবে যে বেঁচে আছি নিজেই বিশ্বাস করতে পারছি না।”

গ্রামবাসীদের অভিযোগ জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান সংলগ্ন ওই এলাকায় নিত্যদিন হাতির হানা লেগেই থাকে। গঙ্গাদেবী শর্মার এক মাত্র ঘরটি ভেঙ্গে পড়ার দরুন, ওই অসহায় বৃদ্ধার এখন খোলা আকাশের নিচে দিন কাটানো ছাড়া অন্য আর কোন সংস্থান নেই। বনদফতরের পক্ষ থেকে সরকারী নিয়ম মেনে ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।