শ্রীরামপুর: নিশ্চয় এমন সিদ্ধান্তে নানা কথা উঠেছে তবে জীবনের নিঃসঙ্গতা কাটাতে বিয়ের পিঁড়িতে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শ্রীরামপুরের বড়বাগানের ৭২ বছর বয়সের বাসিন্দা সমরেন্দ্রনাথ ঘোষ।

তিনি পেশায় একজন কলেক শিক্ষক। কয়েকমাস আগেই তিনি সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন। সেই সুত্র ধরেই রিষড়ার বাসিন্দা ইরা রায়ের সঙ্গে তাঁর বিয়ে ঠিক হয়ে যায়। জুলাই মাসের শেষের দিকে বিয়ের আইনি প্রক্রিয়া সেরে ফেললেও সোমবারই সামাজিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন সমরেন্দ্রনাথ ঘোষ।

শুধু ৭২ বছরে বিয়ে নয়, সামাজিক বিয়েতে ছিল না পুরুষ পুরোহিত, সংস্কৃত মন্ত্রোচ্চারণে বিয়ে দিয়েছেন মীনা রায়।

২২ বছরের কর্মজীবনের পরে ২০০৮ সালে অবসরগ্রহণ করেছেন তিনি। রিষড়ার বিধানচন্দ্র কলেজে বাংলা পড়াতেন সমরেন্দ্র ঘোষ। বর্তমানে তিনি পূর্ব বর্ধমানের কালনায় বেসরকারি বিএড কলেজের অধ্যক্ষ।

জানা গিয়েছে, বেশকিছু বছর আগেই তাঁর স্ত্রী মারা গিয়েছেন এবং মেয়েও বিদেশে থাকেন। এই বয়সে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে জানিয়েছেন, লকডাউনের শুরু থেকেই সমস্যায় পরেছেন। ছাত্রছাত্রীরা রান্নাবান্না করে পাঠাত, এমনও সময় গিয়েছে যেখানে না খেয়ে দিন কাটাতে হয়েছে।

বাবাকে অনেকদিন আগেই হারিয়েছেন নববধূ ইরা। বয়স ৩৬ বছর। কলকাতায় একটি সংস্থায় কাজ করতেন। নিজেই সংসার চালাতেন। তবে চাকরি চলে যায় কিছুদিন আগেই। ইরা বলেন, “বিয়ে করার কোনও ভাবনা ছিল না। এমনই শিক্ষিত, রুচিশীল, মানুষ চেয়েছিলাম”।

অন্যদিকে, সমরেন্দ্রবাবু বলেছেন, কিছু মানুষ যেমন খারাপ মন্তব্য করেছেন, তেমনই নিঃসঙ্গতা দূরে ঠেলে যারা যারা নতুন করে বাঁচতে চাইছেন পাশে দাঁড়াতেও এগিয়ে এসেছেন তেমন অনেকেই।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা