স্টাফ রিপোর্টার, বনগাঁ: আবারও খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে কটাক্ষ করলেন বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। শুক্রবার নাম না করে তিনি বললেন, ‘বুড়ো ঘোড়া আর চলে না, পুষতে খরচও বেশি লাগে’।

এদিন জ্যোতিপ্রিয়র গড়ে দাঁড়িয়ে প্রায় ১৫০০ জন তৃণমূল কর্মীর হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দেন সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। সেখানে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল ইস্যুতে তৃণমূলকে তোপ দেগে তিনি বলেন, “সংখ্যালঘুদের প্রকৃত উন্নয়ন তৃণমূল করছে না। শুধু মসজিদ করলেই উন্নয়ন হয় না। মুসলিম অধ্যুষ্যিত এলাকায় গেলেই বোঝা যায় উন্নয়নের অবস্থা।”

বিজেপি সাংসদের কথায়, “পূর্ববঙ্গ থেকে আসা মানুষের অধিকার নাগরিকত্ব। দেশভাগের দ্বিজাতিতত্ত্ব অনুযায়ী এই অধিকার রয়েছে। কংগ্রেস, সিপিএম এটা ভুলে গিয়েছিল। আর তৃণমূলের অতীত সম্পর্কে কোনও জ্ঞানই নেই। সংবিধান কী ওরা জানে না। ফলে প্রতিবাদ করতে হয় তাই করে।”

প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই উত্তর ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূল সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেছিলেন যে, আগামী ৩১ শে ডিসেম্বরের মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় বিজেপির হাতে থাকা সব কটি গ্রাম পঞ্চায়েতই তৃণমূল জোড় করে দখল করবে না। বিজেপির সব সদস্যরাই স্বেচ্ছায় তূণমূলে যোগ দেবেন।

তাঁর দাবি ছিল, বিজেপির ফেক নিউজ ছড়ানোয় রীতিমতো বীতশ্রদ্ধ দলের কর্মীরা। এদিন তৃণমূলের ঘর ভেঙে পাল্টা জ্যোতিপ্রিয়কে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন শান্তনু ঠাকুর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।