নয়াদিল্লি: বৈদ্যুতিক স্কুটার চালু করার ঘোষণা করল ওলা। জুলাইয়ে এই স্কুটি চালু করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এই স্কুটারের সুবিধা হল এতে ব্যাটারি বদল করাও সম্ভব। এই স্কুটিতে সেরা প্রযুক্তি ইন্সটল করে লঞ্চ করার পরিকল্পনা করেছে সংস্থা।

আরও খবর পড়ুন – Symptoms of Coronavirus: করোনা হয়েছে কি, কোন কোন লক্ষ্মণ দেখলে হেলাফেলা না

কয়েক মাসের মধ্যে এই বৈদ্যুতিক স্কুটারটি দেশের রাস্তায় দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়বে বলে জানিয়েছে কোম্পানি। এই স্কুটিটি ভারতে টিভিএস আইকিউব ইলেকট্রিক স্কুটিকে জোর টক্কর দিতে চলেছে বলে সচেতন মহলের অভিমত। নীচে এই দুটি স্কুটি নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা করা হল –

ওলা ইলেকট্রিক স্কুটার: এই স্কুটিটি এখনও ভারতের মার্কেটে আসেনি, তবে আগামী মাস চারেকের মধ্যেই এটি দেশে যে অত্যন্ত জনপ্রিয় হবে তা বলাই যায়। একবার পুরো চার্জিংয়ে ২৫০ কিমি পর্যন্ত রাস্তা অতিক্রম করতে পারে এই স্কুটি। পাশাপাশি এই স্কুটির চেহারাটিও বেশ আকর্ষণীয়পূর্ণ।

আরও খবর পড়ুন – ‘মোদীর সভা বাতিলের পর প্রচারে নিষেধাজ্ঞা কি কাকতালীয়’, খোঁচা অভিষেকের

Ola Electric Scooter (ওলা ইলেকট্রিক স্কুটি)

এই স্কুটির গতিবেগও বেশ অনেকটা ঈর্ষণীয়। এটি মাত্র ৪৫ সেকেন্ডে গাড়ির গতি ০ থেকে ৪৫ কিমি প্রতি ঘন্টায় তুলে নিতে পারে। এছাড়া এর সিটের নীচে রয়েছে বেশ অনেকটা জায়গা। যাতে সহজেই ব্যবহারকারী অনেক জিনিস সেই জায়গায় রাখতে পারেন। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, তাঁরা প্রতি বছর ২ মিলিয়ন ইউনিট গাড়ি উৎপাদন করবে।

TVS iQube (টিভিএস আইকিউব)

টিভিএস আইকিউবে একটি শক্তিশালী ইলেকট্রিক মোটর রয়েছে। এটি 140 Nm পিক টক জেনারেট করে। এই স্কুটিটি মাত্র ৪.২ সেকেন্ডে ৪০ কিমি প্রতি ঘন্টায় তুলে নিতে পারে। একবার চার্জ দিলে এই স্কুটি ৭৫ কিমি রাস্তা সহজেই পার করতে পারে। এছাড়া এই স্কুটিটি সর্বোচ্চ ৭৮ কিমি প্রতি ঘন্টা স্পিডে যেতে পারে।

আরও খবর পড়ুন – চ্যাপলিনের পর দ্বিতীয় চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব হিসাবে অক্সফোর্ডের ডক্টরেট পান সত্যজিৎ

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.