ওয়াশিংটন: অবাক হওয়ার মতো হলেও এ ঘটনা একেবারে সত্যি। চাঁদেও নাকি এবার পাওয়া যাবে ৪জি পরিষেবা। মার্কিন গবেষণা সংস্থা নাসা এই ব্যাপারে হাত মিলিয়েছে নোকিয়ার রিসার্চ সংস্থা বেল ল্যাবসের সঙ্গে। বলা হচ্ছে, এর জন্য খরচ পড়বে ৩৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই মোট খরচের মধ্যে ১৪.১ মিলিয়ন খরচ বহন করবে নাসা।

আপাতত ওই সংস্থা জানিয়েছে ২০২২ এর মধ্যে তাঁরা চাঁদে এই কর্মযজ্ঞ শেষ করতে পারবে। উল্লেখ্য, এর আগেও অবশ্য চাঁদে LTE নেটওয়ার্ক লঞ্চ করার চেষ্টা করছিল নোকিয়া। ২০১৮ এর পর ফের সেই একই কাজে আবার হাত লাগাল তাঁরা।

আরও পড়ুন – আজই ২৬,০০০ মাইল প্রতি ঘণ্টা বেগে পৃথিবীর কান ঘেঁষে ছুটে যাবে গ্রহাণু

আপাতত জানা গিয়েছে, প্রথমে 4G/LTE নেটওয়ার্ক গড়ে তুলে পরে সেটিকে 5G-তে রূপান্তর করা হবে। নাসা মনে করছে, এটির ফলে চাঁদে যাওয়া মহাকাশচারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা সহজ হবে। মানুষ একধাপে চাঁদের ব্যাপারে অনেকটা এগিয়ে যাবে।

প্রসঙ্গত নাসা জানিয়েছে, ২০২৮-এর মধ্যে চাঁদে মানুষের থাকার মত পরিবেশ-পরিস্থিতি তৈরি করে ফেলতে চায় নাসা। আর সে কারণেই শুরু হয়েছে যাবতীয় প্রস্তুতি। জানা গিয়েছে ২০২৪ সালে পরবর্তী চন্দ্রাভিযান সম্পন্ন করবে আমেরিকা।

আরও পড়ুন – চলতি সপ্তাহেই আছড়ে পড়বে ‘বারবারা’, জোরালো ঝড়ের আশঙ্কা আবহাওয়াবিদদের

এই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তা এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ বলে গণ্য হতে বাধ্য। কারণ এরপর থেকে ভয়েস ও ভিডিও কমিউনিকেশনে চাঁদে বসেই যোগাযোগ করা যাবে। চাঁদ হয়ে যাবে পৃথিবীর আরও কাছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।