স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা : সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়া এখন অধিকাংশ মানুষ যেন অন্ধ হয়ে যায়৷ একদনি নেট কানেকশন না থাকলেই মনে হয় স্মার্টফোনটা যেন অচল৷ ২৪ ঘন্টায় কমপক্ষে পাঁচবার ফেসবুক, ওয়্যাটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম, ট্যুইটার না খুললেই নয়৷ সাধারণ মানুষের মতো অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা সেনও ট্যুইটার পোকা৷ নিত্যদিনই কোনও না কোনও আপডেট দিতে থাকেন তিনি৷ একইরকম ভাবে নিজের ফলোয়ারদের খোঁজও রাখেন৷ কতদিনে কতজন ফোলোয়ার বাড়ল সবকিছুর উত্তর রয়েছে নায়িকার কাছে৷

 

কিন্তু হঠাৎই কমে গেল তাঁর ট্যুইটার ফোলোয়ার্স৷ সম্প্রতি ট্যুইট করে সেই দুঃখপ্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী৷ পাশাপাশি অবাকও হয়েছেন খানিক৷ তিনি লিখেছেন, “সাত দিনের মধ্যে আমার ট্যুইটার ফোলোয়ার্স ৪ লাখ থেকে ৩ লাখ ৯৫ হাজার হয়ে গিয়েছে৷ এদিকে আমি রোজই নতুন নতুন ফোলোয়ার্স দেখতে পাই আমার প্রোফাইলে৷ তাহলে এমনটা হওয়ার কারণ কী?” ট্যুইটার ইণ্ডিয়াকে ট্যাগ করে তিনি এর উত্তরও চেয়েছেন৷

ঐন্দ্রিলার অনুমান তাঁর ট্যুইটার হ্যান্ডেলে কোনও সমস্যা হয়েছে৷ অন্যদিকে সাইবার ইউজাররা কমেন্ট করে লিখেছেন আদৌ তাঁর ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে কোনও সমস্যা হয়নি৷ অন্য যুক্তি দেখিয়ে ঐন্দ্রিলাকে বোঝাবার চেষ্টা করেছে তারা৷ ফোলোয়ার্সরা আসলে চায় যে সেলেব্রিটিরা তাদের ট্যুইট এবং কমেন্টের রিপ্লাই দেবে৷ সেটা না হলেই তারা ইন্টারেস্ট হারিয়ে ফেলে এবং যে তারকারা রিপ্লাই না করলে তাঁদের আনফলো করে দেয়৷ কারণ সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট কমিউনিকেট করার আদর্শ জায়গা৷

প্রসঙ্গত, টানটান উত্তেজনা চলছে ঐন্দ্রিলার ধারাবাহিক ‘ফাগুন বউ’র৷ ডাকাতের খপ্পরে পড়েছে মোহুল এবং রোদ্দুর৷ তাদের থেকে ছাড়া পাওয়ার জন্য নাচ-গান করে দেখাতে হবে ডাকাত সর্দারকে৷ বাড়িতে রোদ্দুরের জন্য টেনশন করে মোহুলকেই দোষারোপ করে যাচ্ছে রোদ্দুরের মা৷ যদিও রোদ্দুরের পরিবারের বাকি সদস্যরা মোহুলের হয়েই কথা বলেছে৷ ডাকাতের খপ্পরে পড়ে প্রায় কেঁদে ফেলার জোগাড় রোদ্দুরের৷ কীভাবে ছাড়া পাবে এই বিপদ থেকে? উত্তর পাওয়া যাবে আগামী পর্বে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.