কলকাতা: ‘করুনাময়ী রাণী রাসমণি’ সিরিয়ালে করুনার পর্ব শেষ হয়ে গিয়েছে৷ তবুও আজও সকল দর্শকের মনে রাজ করছে অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা সাহা৷ ‘করুনাময়ী রাণী রাসমণি’ ধারাবাহিকে রাণী রাসমণির সেজ মেয়ের ভূমিকায় অভিনয় করত ঐন্দ্রিলা৷

এই ধারাবাহিকের পর থেকেই তাঁর জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়ে চলেছে৷ পাশাপাশি বেড়ে চলেছে তার সোশ্যাল মিডিয়ার ফলোয়াড়স সংখ্যা৷ তা সে ফেসবুক হোক কিংবা ইনস্টাগ্রাম৷

ফেসবুকের থেকেই ঐন্দ্রিলা বেশি ইনস্টাগ্রামে অ্যাক্টিভ৷ সেখানেই সারাক্ষণ কিছু না কিছু পোস্ট করতে থাকে৷ তার প্রতিটি ছবিতেই নেটিজেনদের কমেন্ট, “এই বয়সেই ঐন্দ্রিলার রূপ ঠিকরে পড়ে৷”

সেটাই বলা স্বাভাবিক৷ তার এই রূপের কারণেই মাত্র ১৭ বছর বয়সেই একটা হিউজ ফ্যান বেস তৈরি হয়েছে৷ নো মেক লুকে হোক কিংবা সেটের মাঝে তোলা সেলফি সবেতেই ঐন্দ্রিলা হার মানায় তাবড় তাবড় অভিনেত্রীদের৷

‘ডান্স বাংলা ডান্স’র মঞ্চ থেকে শুরু হয়েছিল ঐন্দ্রিলার যাত্রাপথ৷ তার সৌন্দর্যই নজর কাড়ল অসংখ্য কাস্টিং ডিরেক্টারদের৷ সেই সময় ঐন্দ্রিলার বয়স ৯ কি ১০৷ একের পর এক প্রজেক্টের অফার আসতে শুরু করে৷

তারপরই শুরু হয় অভিনয় জগতের পথচলা৷ এই মুহূর্তে ‘খনার বচন’ ধারাবাহিকে ‘খনা’র চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে তাকে৷ এক সপ্তাহ আগেই শুরু হয়েছে ধারাবাহিকটি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।