পোর্ট লুইস: বিশ্বব্যাপী করোনা আবহে বিপদ যেন কিছুতেই পিছু হটছে না। রোজই নতুন, নতুন বিপদের সম্মুখীন হচ্ছে গোটা পৃথিবী। চারিদিকে শুধুই ত্রাহি-ত্রাহি রব। ঠিক কবে এই সবের থেকে মুক্তি মিলবে তার উত্তর এখনও জানা যায়নি। তবে ২০২০ সালে বিপদ যে মানুষের পিছু ছাড়ছে না ফের তার প্রমাণ মিললো।

করোনা অতিমারীর মধ্যোই এবার ব্যাপক জল দূষণ বাড়ল ভারত মহাসাগরে। দ্বীপরাষ্ট্র মরিশাসের কাছে একটি পণ্যবাহী জাহাজ দুর্ঘটনায় প্রায় ৪০০০ টন তেল ছড়িয়ে পড়ল সমুদ্রের জলে। যারফলে ব্যাপক পরিবেশ দূষণ এবং সাগরের বাস্তুতন্ত্র ধ্বংসের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন পরিবেশবিদরা।

জানা গিয়েছে, পানামার-রেজিস্টার্ড করা এমভি ওয়াকাশিও নামের ওই জাহাজটি এদিন মরিশাসের কাছে ডি’সিনির প্রবাল চাদরে উপর দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল। যার ফলে প্রচুর পরিমাণে তেল সমুদ্রের জলে মিশে গিয়েছে।

এই বিষয়ে মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী প্রবিন্দ যুগনাথ পরিবেশ সংক্রান্ত জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। জলে তেলের বিস্তার কমিয়ে আনতে প্রায় ৪০০ সমুদ্র বুম এবং আরও উন্নত মানের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

অনলাইন শিপ ট্র্যাকাররা দেখিয়েছেন, এমভি ওয়াকাশিও চিন থেকে ব্রাজিল যাচ্ছিল। সেই সময় মরিশাসের কাছে একটি বড় প্রবাল প্রাচীরে সঙ্গে ধাক্কা খায় জাহাজটি। যদিও পণ্যবাহী জাহাজ হওয়ায় বড়সড় দুর্ঘটনা এবং প্রাণহানির আশঙ্কা এড়ানো গিয়েছে। এছাড়াও দুর্ঘটনাগ্রস্ত জাহাজটিতে থাকা ক্রদের নিরাপদে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়েছে এবং জাহাজটিকেও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী প্রবিন্দ যুগনৌথ বলেছেন যে, “তেল ছড়িয়ে পড়ার ফলে যে বিপদ ঘটেছে তার জন্য তাঁকে ফ্রান্সের কাছে সাহায্য চাইতে হয়েছিল। কারণ ওই দ্বীপরাষ্ট্রে প্রায় ১.৩ মিলিয়ন লোক আটকে পড়েছিল যাদের অন্য জাহাজ গুলিকে পুনরায় ভাসানোর দক্ষতা নেই। জাহাজে কাজ করার জন্য উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছিল।এছাড়াও ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজটিকে দ্রুত সেখান থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছিল।”

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও