নয়াদিল্লি : পেট্রোল ও ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রেখেছে অয়েল মার্কেটিং সংস্থাগুলি৷ মঙ্গলবার থেকে শুরু করে আজ রবিবার জ্বালানির দামে স্বস্তির আস্বাস বজায় রইল৷ রবিবার রাজধানী দিল্লিতে পেট্রোলের দাম ৮০.৪৩ টাকা প্রতি লিটার৷ ডিজেলের দাম ৮০.৫৩ টাকা প্রতি লিটারে৷ দিল্লির পাশাপাশি দেশের তিনটি বড় শহরে তেলের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে৷

বিভিন্ন শহরে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম- দিল্লি: পেট্রোল ৮০.৪৩ টাকা, ডিজেল ৮০.৫৩ টাকামুম্বই: পেট্রোল ৮৭.১৯ টাকা, ডিজেল ৭৮.৮৩ টাকা কলকাতা: পেট্রোল ৮২.১০ টাকা, ডিজেল ৭৫.৬৪ টাকাচেন্নাই: পেট্রোল ৮৩.৬৩ টাকা, ডিজেল ৭৭.৭২ টাকা। তবে গত ২৪ দিনে পেট্রোলের দাম ৯.১৭ টাকা ও ডিজেলের দাম ১০.৯০ টাকা বেড়েছে৷ পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান জানিয়েছেন, দেশ ও গোটা বিশ্ব এখন একটি সঙ্কটজনক পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে৷ লকডাউনের জেরে এপ্রিল ও মে মাসে পেট্রোল ও ডিজেলের চাহিদা প্রায় ৭০ শতাংশ কমে গিয়েছিল৷ জুন থেকে লকডাউনে ছাড় দেওয়া শুরু হলে এবং অফিস, কারখানা খুলতে থাকায় আবার তেলের চাহিদা বাড়তে থাকে৷

দেশে সাধারণত পেট্রলের দাম বেশ খানিকটা বেশি থাকে ডিজেলের থেকে। দেশের অধিকাংশ জিনিসপত্র সরবরাহকারী ট্রাক চলে ডিজেলে। এ ছাড়াও চলে বাস, ট্যাক্সি, ক্যাব। সম্প্রতি দিল্লিতে ডিজেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় মাথায় হাত পড়েছিল আম আদমির। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এতটা কম থাকা সত্ত্বেও কী ভাবে পেট্রল ও ডিজেলের দাম ক্রমে আকাশছোঁয়া হয়ে চলেছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন দেশবাসী।

১৬ মার্চ থেকে টানা ৮২ দিন অপরিবর্তিত থাকার পর বেড়েই চলে পেট্রল-ডিজেলের দাম। ডিজেলের দাম বাড়ায় বেসরকারি বাসের মালিকরা ভাড়া বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি, করোনা সংক্রমণের ভয় ও সরকারি নির্দেশের জেরে এমনিতেই কম সংখ্যক যাত্রী নিয়ে বাস চালাতে হচ্ছে। তার ওপর এত চড়া দরে ডিজেল কিনতে হলে, তাঁদের আরও ক্ষতি হবে। মালিকরা ভাড়া বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন সরকারের কাছে। তাই নিয়ে সরকারের সঙ্গে চলছে আলোচনা।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ