নয়াদিল্লি : বাড়ি থেকে অফিস। ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে এটাই ভারতের নতুন ওয়ার্ক কালচার। ওই বছরের শেষের দিক থেকে ফের মানুষ অফিসমুখো হয়েছিল। এক বছর কাটতে না কাটতেই করোনা আবার মাথা চাড়া দিয়েছে। তাই আবার ফিরতে চলেছে বাড়ি থেকে অফিস করা।

এই পরিস্থিতিতে কে কতটা খুশি? একটি সার্ভে বলছে , মাত্র ২৭ শতাংশ মানুষ বলছেন এই নতুন কাজের পদ্ধতিতে তাঁরা খুশি। ৪৩ শতাংশ মানুষ বলছেন তারা কম খুশি ছিলেন ওই সময়ের কাজের পদ্ধতিতে।

এমত অবস্থায় ৭৭ শতাংশ চাকুরিজীবি হাইব্রিড ওয়ার্ক ফরম্যাটে খুশি। এটা কেমন ধরণের কাজের পদ্ধতি? জানা যাচ্ছে , সংস্থা দেখে নিচ্ছে কোন কর্মী কোন সময়ে কাজ করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বা কীভাবে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্য তাকে তেমন সময়ে সেই ভাবে কাজ করতে দিচ্ছে। এর ফলে কাজের ফলাফল ভালো হচ্ছে বলেই সংস্থা মনে করছে। কর্মীও খুশি থাকছে এই পদ্ধতিতে।

৫৬ শতাংশ চাকুরিজীবী জানাচ্ছেন তারা যে কোনও জায়গা থেকেই কাজ করতে ইচ্ছুক। সব সময়েই তা অফিস হতে হবে তার কোনও মানে নেই। ৩০ শতাংশ মানুষ এই পদ্ধতিতে কাজ করতে ইচ্ছুক নয়।

কলকাতার সেক্টর ফাইভে প্রায় দেড় লক্ষ তথ্য প্রযুক্তি পেশাদার কাজ করেন। তাঁদের মধ্যে ৪০,০০০-এর মতো কর্মীকে অফিসে আসতে হচ্ছিল।

চলতি সপ্তাহেই সংখ্যাটা অর্ধেক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন সেক্টর ফাইভ স্টেকহোল্ডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি কল্যাণ কর। কৌশিক প্রধান করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের মোকাবিলায় কলকাতার বেসরকারি সংস্থাগুলি অফিসে তাদের কর্মী আসার সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছে, সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ কর্মী নিয়ে অফিস চালাতে হবে এবং ওয়ার্ক-ফ্রম-হোমকে প্রাধান্য দিতে হবে। তবে কলকাতার বহু সংস্থা তাদের অফিসে কর্মী সংখ্যা ৫০ শতাংশেরও বেশি কমানোর পথে ইতিমধ্যেই হাঁটতে শুরু করেছে।

ওই যে সমস্ত বিপিও সংস্থা বিদেশে কলিং পরিষেবা দিয়ে থাকে, তারাও করোনা ঢেউ ঠেকাতে কর্মীদের কাজের ক্ষেত্রে হাইব্রিড মডেল কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.