কলকাতা: অফিসে যাওয়ার সময় আমাদের যা তাড়া থাকে তা আর বলে বোঝাতে হবে না। কোনোরকমে গোগ্রাসে খাবার গিলেই বেরিয়ে পড়তে হয়। কিন্তু যেদিন থাকে বিশেষ মিটিং বা কনফারেন্স বা অফিস পার্টি সেদিন তো আর যেমন তেমনভাবে সেজে গেলে হবেনা। অথবা অফিস গিয়ে জানতে পারলেন আছে মিটিং বা পার্টি তাহলেও আপনাকে সেই মুহূর্তেই হতে হবে পারফেক্টলি রেডি। বেশি সময়ও নিতে পারবেন না। কিন্তু সেদিনের লুক হতে হবে একেবারে টপ টু বটম পারফেক্ট ও ছিমছাম। সেখানে চুলের স্টাইল খুব জরুরি। অনেকেই পোশাক ঠিকঠাক পড়লেও চুল ঠিক করে স্টাইল না করতে পারলে সাজটাই মাটি হয়ে যায়। অথচ সময় খুব কম হাতে। সেক্ষেত্রে কাজে দেবে এই কয়েকটি স্টাইল।

 

১. পনিটেল: এটি মেয়েদের যুগ যুগ ধরে বাঁচিয়ে চলেছে যে কোনো পরিস্থিতিতে। তবে অফিসের জন্যে পনিটেল আনতে পারেন নতুনত্ব। চুল মাঝখানে সিঁথি করে নিয়ে দুদিকে ভাগ করুন। এবার সামনের কিছুটা চুল ছেড়ে দিয়ে বাকিওতা নিয়ে উঁচু করে পনিটেল করুন। পনিটেলের নিচের অংশে কার্লার দিয়ে একেবারে কার্ল করুন। এবার ওই কার্লার চুলের সামনের দিকের ছেড়ে রাখা অংশে দিয়ে সেটিকে ছেড়ে দিন কানের দুপাশে। সকলের নজর আপনার দিকেই থাকবে। আপনার জন্যে নিচে রইলো ভালো কিছু কোম্পানির কার্লার। দেখে বেছে নিন নিজের জন্যে।

২. আপনার চুলের যে কোনো একদিকে সিঁথি করুন। একেবারে সামনের মাঝের অংশ থেকে চুল নিন কিছুটা। এটাকে হাত দিয়ে পাক দিন কয়েকটা। এবার মাথার পেছনে সেটি নিয়ে গুঁজে দিন ক্লিপ দিয়ে। বাকি চুলে খোঁপা করতে পারেন আবার সেই চুল ছেড়েও রাখতে পারেন।

৩. মাথার সামনের মাঝের অংশ থেকে চুল নিয়ে একটু উঁচু উঁচু করে সেগুলো মাথার পেছন আটকাতে থাকুন ক্লিপ দিয়ে। এতে চুলটা বেশ ফোলা দেখতে লাগবে। বাকি অংশে বেনুনি করতে পারেন। এই স্টাইলটি যে কোনো পার্টি বা রোম্যান্টিক ডেটেও করতে পারেন। আবার এর সঙ্গে ফর্মাল সাজেও বেশ লাগবে আপনাকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।