ব্যাম্বোলিম: এমন অধিকাংশ সমর্থক আজ চোখ রেখেছিলেন টেলিভিশনের পর্দায় যারা ইস্টবেঙ্গলের অনেক খারাপ সময় দেখেছেন, কিন্তু দেশীয় কোনও প্রতিযোগীতায় প্রিয় দলকে ৬ গোল হজম করতে দেখেননি। অভিষেক আইএসএল মরশুমের শেষ ম্যাচে সেটাও দেখিয়ে দিল রবি ফাওলারের ইস্টবেঙ্গল। লজ্জার চূড়ান্ত মাথা খেয়ে লিগের ‘লাস্ট বয়’ ওডিশা এফসি’র কাছে হাফডজন গোল হজম করল এসসি ইস্টবেঙ্গল।

ব্যাম্বোলিমের জিএমসি স্টেডিয়ামে শনিবার ওডিশা এফসি’র কাছে ৫-৬ গোলে হারলেন পিলকিংটন, ম্যাঘোমারা। সেইসঙ্গে একরাশ লজ্জা উপহার দিয়ে গেলেন ইস্টবেঙ্গলের কোটি-কোটি সমর্থকদের। যে ওডিশাকে গত ম্যাচে ৬ গোলে মাটি ধরিয়েছিল মুম্বই সিটি এফসি, সেই ওডিশার কাছে হাফডজন গোল হজম করে ইস্টবেঙ্গল বুঝিয়ে দিয়ে গেল ফাওলারের এই ভঙ্গুর দলটা সত্যিই আইলিগের মানের। কিন্তু তাতে করে নিজেদের ব্যর্থতা কোনওভাবেই এড়িয়ে যেতে পারেন না লিভারপুল কিংবদন্তি।

মরশুমের শুরুর দিকে খারাপ ফলাফলের কারণ হিসেবে মাত্র দু’সপ্তাহ অনুশীলনের অজুহাত ভাঙা রেকর্ডের মত বাজিয়ে গিয়েছেন ফাওলার এবং সহকারী। কিন্তু লিগের শেষ ম্যাচে এসে রক্ষণের এমন হতশ্রী দশা হয় কী করে? অদূর ভবিষ্যতে কলকাতায় পা রাখলে প্রিয় দলের এমন করুণ অবস্থার হিসেব লাল-হলুদ সমর্থকেরা কড়ায়-গন্ডায় বুঝে নেবে লিভারপুল কিংবদন্তির থেকে। তাই অনেকে বলছেন, সম্মান রক্ষার্থে এখনই ইস্তফা দিয়ে নিজের দেশে ফিরে যান ফাওলার সাহেব। আপনার সৌভাগ্য আইএসএল সুদূর গোয়ায় বায়ো-বাবলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বিরতির পর এদিন ড্যানি ফক্স, সার্থক গোলুইদের যেন পাড়ার স্তরে নামিয়ে আনল ওডিশা। আর কলিঙ্গ ওয়ারিয়র্সদের প্রচেষ্টা অন-টার্গেট থাকলেই গোল হজম করে বসলেন সুব্রত পাল। ফর্মের শিখরে থাকা দেবজিতকে বসিয়ে রেখে ফাওলার-গ্রান্ট কী প্রমাণ করতে চাইলেন, বোধগম্য নয়। প্রথমার্ধে যদিও ২-১ গোলে এগিয়ে ছিল লাল-হলুদ। একটি গোল অ্যান্থনি পিলকিংটনের এবং অন্যটি আত্মঘাতী। বিরতির পর ইস্টবেঙ্গল রক্ষণ গোল হজম করে গেল নিয়মিত ব্যবধানে। ৪৯, ৫১, ৬৫, ৬৭, ৬৯ মিনিটে গোল হজম করল তারা। আর লজ্জায় একটু একটু করে মাথা হেঁট হল সমর্থকদের।

পালটা দ্বিতীয়ার্ধে তিনটি গোল করল ইস্টবেঙ্গল। যার মধ্যে ২টি অ্যারনের এবং একটি পরিবর্ত জেজের। কিন্তু অতিরিক্ত সময়ে অ্যারন যখন পঞ্চম গোলটি করছেন, তখন লজ্জার নজির জুড়ে গিয়েছে লাল-হলুদের সঙ্গে। একইসঙ্গে ১১ গোলের এই ম্যাচ আইএসএলেও নজির। এটাই ইন্ডিয়ান সুপার লিগে সর্বাধিক গোলের ম্যাচ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।