ছবি: প্রতীকী

তমলুক: ফের কুসংস্কারের বলি নাবালিকা৷ সাপে কেটেছিল তাঁকে৷ কিন্তু পরিবারের লোকজন চিকিৎসকের থেকে বেশি ভরসা রাখে ওঝায়৷ তাই সাপে কাটার পর বাড়ির মেয়েকে সেখানেই নিয়ে যায়৷ কিন্তু কাজ না হওয়ায় শেষ মুহূর্তে চিকিৎসকের দ্বারস্থ হয় পরিবার৷ তবু প্রাণে বাঁচানো গেল না৷ ওড়িশার ভোগরাইয়ের ঘটনা৷ মৃতের নাম নন্দিনী প্রধান (৮)৷

ভোগরাই থানার রণকুঠা৷ সেখানেই বাড়ি নন্দিনীর৷ বুধবার ভোরের দিকে বাড়ির বিছানায় ঘুমিয়েছিল সে৷ হঠাৎই পায়ে শুরু হয় অসম্ভব জ্বালা৷ শুরু করে চিৎকার, চেঁচামেচি৷ বাড়ির লোকজনের মেয়েকে পাঁজা কোলে তুলে ছুট লাগায় পরিচিত গুণীনের বাড়ির পথে৷

আরও পড়ুন: ভুল বুঝবেন না,জঙ্গলকন্যা’কে আমাকে হারাতে দেবেন না: মমতা

নন্দিনীর পরিবারের লোকজনের কথায়, ওই ওঝা মেয়েকে জলপোড়া, তেলপোড়া সবই দিল৷ খাওয়ার জন্য বাড়িতেও দিয়ে দেয়৷ কিন্তু বাড়ি নিয়ে আসার পথে ফের শুরু হয় যন্ত্রণা৷ শরীর যেন জ্বলে যেতে থাকে ওই মেয়ের৷ বাড়ি নিয়ে যাওয়ার পর পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়ে ওঠে৷

আরও পড়ুন: Breaking: বামেদের আইন অমান্য ঘিরে চড়ছে পারদ

অবশেষে টনক নড়ে বাড়ির লোকজনের৷ সিদ্ধান্ত নেয় ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবে৷ সেইমতো দিঘা হাসপাতালে নিয়েও আসা হয় নন্দিনীকে৷ কিন্তু সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন৷ বাড়ির একরত্তি মেয়ের মৃত্যুর খবরে হাসপাতালেই ভেঙে পড়েন অভিভাবকরা৷ চিকিৎসকদের অনুমান, সময়মতো মেয়েটিকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে এত বড় বিপদটা দেখতে হত না৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.