বেঙ্গালুরু : জানেন কী অক্টোপাস ঘুটঘুটে অন্ধকারেও আলোর উৎস তৈরি করতে পারে ? ইজরায়েলের গবেষকরা খুঁজে বের করেছেন এমনই মজাদার তথ্য। নিজেদের আটটা শুঁড়ের সাহায্যে এই আলো তৈরি করার কাজ করে তারা। কেন অক্টোপাসের গায়ের রং সামান্য হলেও পরিবর্তন আসে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে, তা নিয়ে গবেষণা করার সময়েই এই তথ্য বেরিয়ে আসে।

এই নিয়ে একাধিক পরীক্ষা নিরীক্ষা শুরু করেন গবেষকরা। তাঁরা দেখতে পান অক্টোপাসের শুঁড়ের মধ্যেই আলোর ছটা তৈরি হতে পারে। যাতে অন্ধকারেও তাদের সুবিধা হয়। এমনকী যখন প্রাণীটি ঘুমোয়, তখনও এই আলো তৈরি হতে পারে। ইজরায়েলি গবেষক ইতামার কাটজ, তাল শোমরাট, নীর নেসের জানাচ্ছেন এক রকম উৎসেচকের বিক্রিয়ার ফলে উৎপাদিত হয় লুসিফেরিন নামের একটি আলোক উৎপাদক পদার্থ। যার ফলে অক্টোপাসের শুঁড়ে জ্বলতে থাকে আলো। এই সম্পূর্ণ ঘটনাটিকে বলা হয় বায়োলুমিনিসেন্স।

গবেষকরা বলছেন অক্টোপাসের শুঁড় যখনই খোলা হয় বা বন্ধ হয়, তখনই এই ধরণের বিক্রিয়া হতে পারে, যার জেরে তৈরি হতে পারে আলোর রশ্মি। সমুদ্রের গভীর অন্ধকারে আলোর উৎস হিসেবে কাজ করে এই অক্টোপাস প্রজাতি। প্রাণীটির শুঁড়ে যে সাকার থাকে, তার চারপাশে থাকে এক রকমের মাসল বা মাংসখন্ড। যেখান থেকে আলো তৈরি হয়।

যে রকম পরিস্থিতিতে অক্টোপাসকে রাখা হয়, সেই ভাবেই পরিবর্তিত হয় অক্টোপাসের আচরণ। গোটা সপ্তাহ ধরে যদি অক্টোপাসকে গভীর সমুদ্রে রাখা হয়, আলো বিচ্ছুরিত হবে আরও বেশি পরিমাণ। আলোর ঘনত্ব নির্ভর করবে পরিবেশের ওপর। অন্ধকার বেশি হলে আলোর পরিমাণও বেশি হবে বলছেন গবেষকরা।

বিজ্ঞানীরা বলছেন অক্টোপাসের বাহুগুলির প্রতিক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়, যখন তারা হয় দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে বা প্রাণীটিতে অ্যানাস্থেশিয়া দেওয়া হয়। এই সময় অক্টোপাসের চামড়া থেকে কিছু অংশ কাটলেও, তার আলোর উৎপাদন বন্ধ করা যাবে না, কারণ তা কোষের সঙ্গে সংযুক্ত। এখানে উল্লেখ্য, বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন যে এই অক্টোপাসগুলি বুঝতে পারে না যে তাদের খোলা শুঁড়গুলি ঠিক কোথায় ছড়িয়ে রয়েছে। কিন্তু এই না বোঝার পরেও, কীভাবে তারা লুকিয়ে পড়তে পারে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।