মুম্বই: ২০১৮ তে এপ্রিলেই শিউলি ফুলের গন্ধে মজতে চলেছে গোটা ভারত৷ কারন এপ্রিলেই ঋতুর অদল বদল হতে চলেছে গোটা ভারতে৷কারন এপ্রিলেই আসতে চলেছে অক্টোবর৷কি শুনে তাজ্জব হয়ে গেলেন নাকি?

তাজ্জব হওয়ার কিছু নেই৷পিকু, মাদ্রাজ ক্যাফের মতো হিট সিনেমার পরিচালক সুজিত সরকারের আগামী ছবির অক্টোবর আসতে চলেছে ১৩ই এপ্রিল৷বুধবার মুক্তি পেল অক্টোবর সিনেমার একটি ছোট্ট টিজার৷ ছবিতে অভিনয় করছেন বরুণ ধাওয়ান এবং বানিতা সান্ধু৷সঙ্গীত পরিচালনা করছেন এ.আর রহমান৷টিজারে লক্ষ্য করা গেল সে একটা গাছের দিকে তাকিয়ে আছে৷ অপরদিকে বানিতা কফি মাগ হাতে নিয়ে জানলার দিকে তাকিয়ে আছে এই ছবির মাধ্যমেই বলিউডে ডেবিউ হতে চলেছে বানিতার তা আগে থেকেই সকলে জানতো৷ বানিতার অভিনয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ বরুণ থেকে শুরু করে পরিচালক সুজিত সরকারও৷

সম্প্রতি পিঙ্কভিলার একটি সাক্ষাৎকারে অভিনেতা বরুণ ধাওয়ান জানান, সিনেমাটি তার হৃদয়ের অত্যন্ত কাছের এবং ৩৭ দিনের মধ্যে শ্যুট শেষ হওয়ায় খুব হতাশ হন অভিনেতা৷ কারন তিনি চেয়েছিলেন আরও কয়েকটাদিন পরিচালক সুজিত সরকারের সঙ্গে কাজ করতে৷ পাশাপাশি বরুণ এও জানান যে ছবিটি করার পর তার জীবনে অনেক পরিবর্তন এসেছে৷ শ্যুটের দশদিন পরেও তিনি নিজেকে সকলের থেকে আড়ালে রেখেছিলেন৷কারোর সঙ্গেই খুব একটা কথা বলছিলেন না৷ সিনেমাটি তার অনেক চারিত্রিক পরিবর্তন করেছে বলে জানান অভিনেতা বরুণ ধাওয়ান৷পাশাপাশি এটাও জানান যে মনিটার না দেখেই সিনেমাটির অধিকাংশ শট দেন স্বয়ং বরুণ৷

অন্যদিকে বাঙালী পরিচালকের ছবিতে যে বাঙালীয়ানা থাকবে না তা কি কখনও হয়৷ টিজারেই পাওয়া গেল শিউলির ফুলের উপস্থিতি৷ এমনকি পোস্টারেও তার ব্যতিক্রম নয়৷ অনেকেই ভেবেছিলেন অক্টোবর সিনেমাতে হয়তো মাদ্রাজ ক্যাফে বা পিঙ্কের মতো অভিনবত্বের ছোঁয় আছে৷হ্যাঁ নিঃসন্দেহে অভিনবত্বের ছোঁয়া আছে তবে সেটা ভালোবাসার মধ্যে৷কোনভাবেই এটা গ্রে ফিল্ম নয়৷তা পরিস্কারভাবে জানালেন পরিচালক সুজিত সরকার৷ এখানে সুজিত সরকারের নজরে ভালোবাসার সংজ্ঞা কি তা তিনি ফুঁটিয়ে তুলেছেন বড় পর্দার মাধ্যমে৷ না, এটা প্রথম সুজীত সরকারের প্রেম নিয়ে সিনেমা নয় এর আগে ভিকি ডোনার করেছেন৷ পিকুর মধ্যেও ছিল ভালোবাসা নামক বিষয়বস্তুটি৷সেখানে বাবা ও মেয়ের মধ্যে ভালোবাসা, স্নেহ ছিলই৷ কিন্তু এটা পুরোপুরি অন্যরকমের একটি ভালোবাসা বলে মনে করেন পরিচালক সুজিত সরকার৷তবে কি সেই ভালোবাসা তা দেখতে অপেক্ষা করতে হবে আর মাত্র দুটো মাস৷

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।