কলকাতা: কিছু ব্যক্তিত্ব আছে যাদের নিয়ে জানার শেষ নেই । কারণ তাঁদের জীবনের ক্যানভাস জুড়ে জুড়ে আছে অসংখ্য মানুষের ইমোশন। তাঁদের নিয়ে যতই বলা হোক না কেন তা কম পড়ে যায়। এরকমই এক ব্যক্তিত্ব উত্তম কুমার। সেকাল থেকে একাল পর্যন্ত যে পর্দাতে এলেই ঝড় ওঠে,সিনে প্রেমীদের মনে।

বাংলা ছবির সর্বকালের মহানায়ক উত্তম কুমারের জানা অজানা দিক নিয়ে আসতে চলেছে ‘অচেনা উত্তম’। কুমারের ভূমিকায় শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় ও মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের ভূমিকা ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।

এছাড়াও ছবিতে আছে দিতিপ্রিয়া রায় শ্রাবন্তী চ্যাটার্জী। হয়ে গেলো ছবির শুভ মহরত। ছবির পরিচালক অতনু বসু। এই ছবিতে মহানায়কের জীবনের কোন কোন দিক দেখানো হবে তা নিয়ে দীর্ঘ রিসার্চ করেছেন শিবাশীষ বন্দোপাধ্যায়।

মহানায়কের চরিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় জানালেন উত্তম কুমার তার কাছে মহানায়ক এর থেকেও বেশি ‘ভগবান’। মহানায়ক উত্তম কুমারের কোন ছবি তিনি বারবার ঘুরে ফিরে দেখেন,এই প্রশ্নের উত্তরে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় জানালেন, উত্তম কুমার অভিনীত ‘নায়ক’ তিনি প্রতিদিন দেখতে পারেন।

এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক এই ছবিতে কে কে কোন ভূমিকায় অভিনয় করছে:
মহানায়ক উত্তম কুমার:শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়
মহনায়িকা সুচিত্রা সেন: ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত
তরুণ উত্তম কুমার: নবাগত তীর্থরাজ বসু
গৌরী দেবী: শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়
তরুণ গৌরী দেবী: স্নেহা দাস
সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়: দিতিপ্রিয়া রায়
সুমিত্রা মুখোপাধ্যায় :সম্পূর্ণা লাহিড়ী
সুপ্রিয়া দেবী: সায়ন্তনী রায়চৌধুরী
তরুণ কুমার : বিশ্বনাথ বসু
সলিল দত্ত : অরিন্দম বাগচী
ডক্টর লাল মোহন মুখোপাধ্যায়: শিবাশীষ বন্দোপাধ্যায়
বসির আহমেদ: সুপ্রিয় দত্ত
উত্তম কুমারের পুত্র গৌতম: অনুভব কাঞ্জিলাল

পরিচালক অতনু বসুর কথায়, উত্তম কুমার তার কাছে ইমোশন,তাই এই ছবি বানানোর ক্ষেত্রে তাকে প্রচন্ড যত্নশীল হতে হবে। শুটিং লোকেশন বলতে কলকাতা এবং উত্তরবাংলা এই ছবির ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ অংশ নেবে। আপাতত এই ছবির প্রি-প্রোডাকশনের কাজ চলছে। এবং পরিচালক এর সম্পূর্ণ টিম এখন নিপুন বুননে এই গল্পের চিত্রনাট্য তৈরি করতে ব্যস্ত। ছবির সিনেমাটোগ্রাফি করছেন সুপ্রিয় দত্ত। সামনের মাস অর্থাৎ এপ্রিল থেকে শুরু হবে ছবির শুটিং।মুম্বইয়ের ‘অলকানন্দা’ আর্টস প্রযোজনা সংস্থার ব্যানারে এই ছবি আসতে চলেছে খুব শীঘ্রই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.