ভোপাল: কথায় বলে সংসার সুখের হয় রমণীর গুনে। কিন্তু সংসারে রমণীই যদি সুখী না হয় তাহলে সংসারে সুখ আসবে কেমন করে? সেরকমই অবস্থা মধ্যপ্রদেশের ভোপালের এক পরিবারে৷ ওই পরিবারের যিনি কর্ত্রী তিনি তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে সংসারের প্রতি অবহেলার অভিযোগ করেছেন৷

মধ্যপ্রদেশের জেলা আইন পরিষদের তরফে জানা গিয়েছে, নুরানসিয়া নামে সদ্য বিবাহিতা ভোপালের এক মহিলা তাঁদের কাছে স্বামীর অবহেলার অভিযোগ জানিয়েছেন।

কী রকম অবহেলা? কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগকারিনী ওই মহিলার স্বামী একজন ডক্টরেট ডিগ্রিধারী ব্যক্তি। জানা গিয়েছে, বাড়ির চাপ এবং মা-বাবা অসুস্থ থাকায় পরিবারের একমাত্র সন্তান হওয়ায় তিনি বিয়ে করতে বাধ্য হন নুরানসিয়াকে। কিন্তু বিয়ে করে কোথায় সুখে সংসার করবে তা না করে ওই ব্যক্তি নাকি সারাদিনই পড়াশুনো নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। এর জন্য স্ত্রীকেও সময় দিতে পারেন না তিনি। জানা গিয়েছে রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় স্তরের সরকারি প্রতিযোগিতা মূলক নানা পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য তিনি সারাদিনই বইতে মুখ গুঁজে থাকেন। যাতে ঘোর আপত্তি জানিয়েছেন ওই নববধূ।

মধ্যপ্রদেশের জেলা ভিধিক সেবা প্রধিকরন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, পড়াশুনোর চাপে স্ত্রীকে ঠিকমত সময় দিতে না পারায় ওই ব্যক্তিও জেলা আদালতে ডিভোর্সের আবেদন জানিয়েছেন। শুধু তাই নয় তাঁর স্ত্রীকে তিনি বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছেন। তিনি যে এই মুহূর্তে তাঁর বউকে বাড়ি ফিরিয়ে আনবেন না সেই ব্যাপারেও জানিয়ে দিয়েছেন।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বিষয়ে কোর্টে মামলা ওঠার আগে চারবার তাঁদের কাউন্সেলিং করানো হয়েছিল। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হয়নি। যদিও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁদের বিয়ে টেকানোর জন্য সবরকম ভাবে সহযোগিতা করা হচ্ছে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও