স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: প্রতিদিন হু হু করে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ৷ যার জেরে শেষ দু’দফার ভোটগ্রহণ একসঙ্গে করার আর্জি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিলেন বাংলায় ভোটের দায়িত্বে থাকা পর্যবেক্ষকরা৷  বিশেষ সূত্রের এ খবর মিলেছে। চিঠিতে বাড়তি কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজন আছে বলেও জানিয়েছেন তারা।

সূত্রের খবর, চিঠিতে বলা হয়েছে যে করোনাভাইরাসের মধ্যে ভোটের আয়োজন করতে কীভাবে সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, বাংলার বিশেষ পর্যবেক্ষক অজয় নায়েক এবং পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবেকে নিজেদের রিপোর্টে উল্লেখ করেছেন যে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের কমপক্ষে ২৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সেইসঙ্গে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর দু’জন প্রার্থীর মৃত্যুর বিষয়টাও রিপোর্টে জানিয়েছেন। তবে এব্যাপারে এখনও কমিশনের তরফে কিছু জানায়নি৷

আরও পড়ুন: কোভিড বিধি মেনেই শুরু মাধ্যমিকের প্রস্তুতি

করোনাকালে বাংলার ভোট এবার আট দফায়। যা নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি ছিল রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের।এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে রাজ্যের বাকি পর্বের নির্বাচনগুলি এক দফায় করারও দাবি জানায় তৃণমূল। যদিও শেষমেশ পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ভোট করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার ফের সিইও দফতরে যায় তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। দলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনের নেতৃত্বে কমিশনের দফতরে যান তৃণমূলের প্রতিনিধিরা। ফের সপ্তম এবং অষ্টম দফার নির্বাচন একই দিনে করার আবেদন জানিয়েছে তৃণমূল। রাজ্যের শাসকদলের তরফে এব্যাপারে একটি দাবিপত্র দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে।

আরও পড়ুন: ‘ভোটের পর লকডাউন করবে কেন্দ্র’, দাবি অভিষেকের

রাজ্যে করোনার সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী। প্রতিদিন হাজার-হাজার মানুষ নতুন করে করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু। শহর কলকাতা-সহ জেলায়-জেলায় সংক্রমিতের সংখ্যা বাড়ছে। ফের এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে গোটা রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। হাসপাতালগুলিতে করোনা বেডের আকাল। অক্সিজেনের জোগানও কমছে৷ এই পরিস্থিতিতে বড় সভা, সমাবেশ করার ব্যাপারে আগে থেকেই রাশ টেনেছে নির্বাচন কমিশন। এবার দেখার যাক, শেষ দু দফার ভোট একসঙ্গে করার সিদ্ধান্ত তারা নেন কিনা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.