স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: হাইকোর্টের নির্দেশ৷ আপাতত হাইকোর্টের নজরবন্দিতেই থাকবেন অনুব্রত মণ্ডল৷ সুষ্ঠ ও অবাধ ভোটদানের লক্ষ্যে কমিশন যা পদক্ষেপ করেছে তা জারি থাকবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টর বিচারপতি দেবাংশু বসাক৷

আরও পড়ুন: একটা ফোন নিয়েছে তো কী হয়েছে, হাজারটা ফোন আছে: অনুব্রত

সোমবার ভোর ৬টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৭টা পর্যন্ত অনুব্রত মন্ডলেকে নজরবন্দি রাখার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন৷ সেই মতো সকাল তাঁর বাড়ির সামনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা টহল দিচ্ছে। রয়েছেন ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের এক অফিসারও। বাড়ি থেকে অনুব্রত মন্ডল যেখানে যাচ্ছেন সেখানে তাঁকে ফলো করছে কমিশনের আধিকারিক এবং সেন্ট্রাল ফোর্স। গোটা প্রক্রিয়া ভিডিওগ্রাফীও চলছে৷ কেড়ে নেওয়া হয়েছে বীরভূম জেলা সভাপতির ব্যক্তিগত ফোন৷

কমিশনের এই পদক্ষের সংবিধান বিরোধী৷ এতে ব্যক্তি স্বাধীনতা হরণ হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন অনুব্রত মণ্ডল৷ কমিশনের পদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ করে সোমবার হাইকোর্টে মামলা করেন তৃণমূলের কেষ্ট৷ আদালতে অনুব্রতর আইনজীবী জানান, তাঁর স্ত্রীর ক্যান্সারে আক্রান্ত, চিকিত্সা চলছে। অথচ তাঁর ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছে৷ যা ব্যক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ৷ সংবিধানের ১৯-এ ও ডি ধারা অনুশারে যা প্রয়োগ করা যায় না৷

আরও পড়ুন: সেলেব ভোট: সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুললেন প্রিয়াঙ্কা-মাধুরী-দিয়ারা

কমিশন ও অনুব্রত মণ্ডলের আইনজীবীর সওয়াল জবাবের পর বিচারপতি দেবাংশু বসাক জানিয়ে দেন, নির্বাচন কমিশনের আদেশই বহাল থাকবে৷ অর্থাৎ কমিশনের নজরবন্দিতেই থাকবেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি৷ যুক্তি হিসাবে বিচারপতি বলেন, কমিশনের জারি করা নির্দেশের শেষে লেখা রয়েছে সুষ্ঠু ও এবাধ নির্বাচনের জন্যই এই পদক্ষেপ৷ তাই কমিশনের নির্দেশ বৈধ৷

আরও পড়ুন: বাংলার ভোট: চতুর্থ দফার ভোটের শূন্যে গুলি চালাল কেন্দ্রীয় বাহিনী

হাইকোর্টের এই নির্দেশের কিছু আগেই ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন বীরভূম জেলা সভাপতি৷ ভোট দিয়ে বেড়িয়ে নিজের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে তিনি বলেন, ‘‘একটা ফোন নিয়েছে তো কী হয়েছে … হাজারটা ফোন আছে৷’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.