ইয়াউন্দে: হাতেনাতে আইএস খতমে ততটা সক্রিয় না হলেও তাদের সহযোগী সন্ত্রাসবাদী সংগঠন বোকো হারাম নিধনে এবার কোমর বেঁধে নামল আমেরিকা। ওয়াশিংটন সূত্রে খবর, আফ্রিকার কট্টরপন্থী মুসলিম সন্ত্রাসবাদী সংগঠন বোকো হারামকে নিকেশ করতে ক্যামেরুনে প্রায় ৩০০ মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। সেইসঙ্গে গিয়েছে বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান ও স্বয়ংক্রিয় ড্রোন।

গত রবিবারই মার্কিন কংগ্রেসে ওবামা জানান, “ক্যামেরুনে বোকো হারামের দৌরাত্ম্য কমাতে ৯০ জন সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।” বৃহস্পতিবার সেই সংখ্যা বেড়ে হয় ৩০০। ঠিক কীভাবে অভিযান চালাবে মার্কিন সেনা? জানা গিয়েছে, মূলত বিমান হামলা চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে বোকো হারাম জঙ্গি ঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা শুরু হবে।

গত রবিবার ক্যামেরুনের উত্তরাংশের মোরা অঞ্চলে দুজন মহিলা জঙ্গি আত্মঘাতী হামলা চালায়। সেই ঘটনায় মৃত্যু হয় নয়জনের। এর পরেই নড়েচড়ে বসে মার্কিন প্রশাসন। ক্যামেরুনের রাজধানী ইয়াউন্দে তো বটেই, সেইসঙ্গে পশ্চিম আফ্রিকার অন্যান্য দেশেও বোকো হারামের তাণ্ডবলীলা উত্তরোত্তর বাড়ছে। নাইজেরিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় এই বোকো হারাম। সে দেশের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে বোকো হারামের আক্রমণে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে কয়েক হাজার মানুষের।

তবে বোকো হারাম নিয়ে মার্কিন তৎপরতাকে অন্য চোখে দেখছেন অনেকে। কেউ কেউ বলছেন, রাশিয়া যেহেতু আইএসের বিরুদ্ধে সিরিয়ায় বাশর আল-আসাদের পক্ষ নিয়ে একেবারে মাটিতে নেমে অভিযান চালাতে শুরু করেছে, তাই চক্ষুলজ্জাবশত বোকো হারামের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে আমেরিকা। সিরিয়ায় যৌথ অভিযান চালানোর জন্য রাশিয়ার আহ্বান ফিরিয়ে দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।