শ্রীনগর: ভারতের সীমান্তের মধ্যেই উড়ছে এক অজানা বস্তু। যা প্রাথমিকভাবে ড্রোন বলে সন্দেহ করা হলেও, এটি যে সত্যিই ড্রোন, সে ব্যাপারে কোনও নিশ্চয়তা নেই।

রবিবার সকালে এমনই এক ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পাক সীমান্তের মেন্ধর সেক্টরে।

রবিবার সকালে এমনই দৃশ্য দেখা গেল ওই অঞ্চলে। ভারতের আকাশসীমা দিয়েই উড়তে দেখা গিয়েছে বস্তুটিকে।

অনুমান করা হচ্ছে, পাকিস্তানের ড্রোনই ঢুকেছে ভারতের আকাশে। এটি ড্রোন কিনা, তা জানতে চেষ্টা চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা।.

উল্লেখ্য, গত মাসে ভারতীয় সেনা পাক আর্মির কোয়াডকপ্টার গুলি করে নামিয়েছিল। কাশ্মীরের কেরন সেক্টরের কাছে ঘটেছিল সেই ঘটনা। পাকিস্তানের ওই কোয়াডকপ্টারটি ছিল চিনের তৈরি।

কয়েকদিন আগেই ভারতীয় সেনা ছাউনি লক্ষ্য করে শেলিং শুরু করে। বিনা প্ররোচনাতে ভারতীয় সেনা ছাউনি লক্ষ্য করে শেলিং করে পাকিস্তান। হঠাত শেলিংয়ে ভারতীয় সেনার বেশ কয়েকজন জওয়ান শহিদ হন।

এরপরেই পালটা পাকিস্তানকে জবাব দেয় ভারতীয় সেনা। মুহূর্তের মধ্যে গুঁড়িয়ে যায় পাকিস্তানের একাধিক ঘাঁটি। ভারতীয় সেনার পালটা মারে ১০ থেকে ১২ জন পাকসেনা খতম হয় বলেও জানা যায়। সেই রেশ কাটতে না কাটতে ফের শেলিং পাকসেনা। সীমান্ত সংলগ্ন ভারতীয় সেনার ঘাঁটিগুলি টার্গেট করা হচ্ছে। পাশাপাশি গ্রামগুলি টার্গেট করে পাকসেনা শেলিং চালাচ্ছে। যদিও পালটা জবাব দিতে শুরু করে ভারত।

উল্লেখ্য, পাকিস্তানের ইটের জবাব পাথরে দিচ্ছে ভারত। কূটনৈতিকভাবেও ইসলামাবাদকে কড়া ধমক ভারতের। পাক কূটনীতিবিদদের ডেকে পাঠিয়েছে ভারত। সীমান্তে পাকিস্তানের বর্বরতার কড়া জবাব দেওয়া হবে কূটনৈতিকভাবেও। পাক হাইকমিশনের কূটনীতিকদের ডেকে কড়া প্রতিবাদ জানাবে ভারত।

গত কয়েকদিন আগেই জম্মু ও কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণরেখায় বিনা প্ররোচনায় গোলাবর্ষণ চালায় পাকিস্তান। ইতিমধ্যেই পাক সেনার হামলায় ৩ ভারতীয় জওয়ান-সহ বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দার মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে ফুঁসছে ভারত।

একবার নয়, এরপরেই পরপর দু’বার ভারতীয় কূটনিতিকদের ডেকে পাঠায় ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের সেই পদক্ষেপের পাল্টা আরও কড়া পদক্ষেপের পথে ভারত। এবার পাকিস্তানি কূটনীতিকদের ডেকে পাঠিয়ে কড়া প্রতিবাদ জানানোর সিদ্ধান্ত দিল্লির।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.