ওয়েলিংটন: দ্বিতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ২১ রানে হারিয়ে পাঁচ ম্যাচের টি-২০ সিরিজে সমতা ফেরাল কিউইরা। ওপেনার মার্টিন গাপতিল ও জিমি নিশমের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের পর বল হাতে মিচেল স্যান্টনারের ৩ উইকেট ওয়েস্টপ্যাক স্টেডিয়ামে রবিবার জয় নিশ্চিত করে নিউজিল্যান্ডের।

জেমস ভিন্সের ব্যাটে সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয় নিশ্চিত করার পর দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে প্রতিপক্ষকে প্রথমে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান ইংরেজ অধিনায়ক ইয়ন মর্গ্যান। প্রথম ম্যাচে ২ রানের পর দ্বিতীয় ম্যাচে মারকাটারি ইনিংসে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ব্যাটে রানের খরা কাটান গাপতিল। ৩টি চার ও ২টি ছয় হাঁকিয়ে ২৮ বলে ৪১ রান করে আউট হন কিউই ওপেনার। মিডল অর্ডারে কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমের ১২ বলে ২৮ রানের ক্যামিও শেষদিকে জিমি নিশমের ২২ বলে ৪২ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৭৬ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। ২টি চার ও ৪টি ছয় দিয়ে সাজানো ছিল নিশমের ইনিংস। এছাড়াও ২৪ বল খেলে ২৮ রানের অবদান রাখেন রস টেলর।

ইংল্যান্ডের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ক্রিস জর্ডন ৪ ওভারে মাত্র ২৩ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন স্যাম কারেনও। ২২ রান দিয়ে ২ উইকেট ঝুলিতে ভরেন তিনি। তবে বল হাতে অভিষেক মোটেই সুখের হল না শাকিব মাহমুদের। টিম সেইফার্টের উইকেট তুলে নিলেও ৪ ওভারে এদিন ৪৬ রান খরচ করেন তিনি। ১৭৭ রান তাড়া করতে নেমে প্রথম বলেই জনি বেয়ারস্টোর উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় ওভারে গত ম্যাচের নায়ক ভিন্সকে ফিরিয়ে ইংরেজদের ব্যাকফুটে ঠেলে দেন ইশ সোধি। তৃতীয় উইকেটে ডেবিড মালানের সঙ্গে জুটি বেঁধে পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন মর্গ্যান। তবে খুব বেশি সফল হননি তিনি।

১৭ বলে দ্রুত ৩২ রানের ইনিংস খেলে ডাগআউটে ফেরেন অধিনায়ক। ৩টি চার ও ৩টি ছক্কা হাঁকান তিনি। এরপর একে একে স্যাম বিলিংস, স্যাম কারেন, ডেবিদ মালানরা। ৯৩ রানে ইংল্যান্ড ৬ উইকেট হারাতেই কিউইদের জয় কার্যত নিশ্চিত হয়ে যায়। ২৯ বলে ২টি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে ৩৯ রান আসে মালানের ব্যাট থেকে। সপ্তম উইকেটে লুইস গ্রেগরি ও ক্রিস জর্ডন জুটি একটা মরিয়া চেষ্টা করলেও শেষ অবধি সফল হননি তাঁরাও। জুটিতে ৪১ রানের অবদান রেখে ব্যক্তিগত ৩৬ রানে ফেরেন জর্ডন। ইংল্যান্ডের রান তখন ১৬ ওভারে ৭ উইকেটে ১৩৪।

এরপর দলকে লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য লোয়ার ব্যাটিং অর্ডারে ছিলেন না তেমন কোনও ইংরেজ ব্যাটসম্যান। ১৫ রানে আউট হন গ্রেগরি। এক বল বাকি থাকতেই ১৫৫ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ড ইনিংস। ২১ রানে ম্যাচ জিতে সিরিজে সমতা ফেরায় কিউইরা। নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন মিচেল স্যান্টনার। ম্যাচের সেরাও তিনি। এছাড়া ২টি করে উইকেট নেন টিম সাউদি, লকি ফার্গুসন ও ইশ সোধি।