কলকাতা: নিখিল জৈন নাকি নুসরত জাহানকে বিচ্ছেদর নোটিস পাঠাননি! সম্পূর্ণ ভুল খবর রটেছে! এমনই দাবী করেছেন নুসরত জাহান। সোমবার রাতে জানা যায় নুসরতকে নাকি নিখিল ডিভোর্সের নোটিস পাঠিয়েছেন। এরপরই শুরু হয় কানাঘুষো। তবে কি এবার বিবাহ জীবনে ইতি পড়তে চলেছে নুসরতের? কিন্তু মঙ্গলবার অভিনেত্রী জানান, সম্পূর্ণ ভুল খবর রটেছে। তিনি ডিভোর্সের নোটিস পাননি।

নুসরত এদিন একটি প্রেস বিবৃতি জারি করে বলেছেন, একটি নামী সংবাদ মাধ্যমে যে খবর প্রকাশ হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। খবর প্রকাশের আগে অনুসন্ধান করার কথাও বলেছেন তিনি। কোনও নোটিস না পাওয়ার কথাও জানান নুসরত। এমনকী তিনি যে নিখিলের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ উঠেছে সেটিও মিথ্যা বলে দাবী অভিনেত্রীর।

কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল যশের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন নুসরত। বিচ্ছেদের খবর সামনে আসার পর অনেকেই বলেছিলেন, সম্ভবত সেই কারণেই নিখিলের সঙ্গে বিচ্ছেদ হতে চলেছে তাঁর। কিছুদিন আগে রাজস্থানের আজমেঢ়ে একসঙ্গে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন যশ ও নুসরত। গুঞ্জন বহুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু এই ঘটনার পর নিখিলের সঙ্গে নুসরতের সম্পর্কে আরও দূরত্ব তৈরি হয়। যদিও যশ বা নুসরত কেউই নিজেদের ইনস্টাগ্রাম পেজে একে অপরের সঙ্গে রাজস্থান ভ্রমণের ছবি পোস্ট করেননি। তবে তাঁদের ফ্যান পেজের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে নুসরত-যশের আজমেঢ় শরিফে যাওয়ার ছবি ও ভিডিও। আর তাতেই ছড়ায় যশের সঙ্গে প্রেম, আর নিখিলের সঙ্গে নুসরতের বিয়ে ভাঙার খবর। তবে তখন নিখিল এনিয়ে কখনই মুখ খোলেননি। সোশ্যাল সাইটেও নুসরত বিরোধী কোনও পোস্ট করেননি তিনি। যশও নুসরতের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ককে নিছক বন্ধুত্বই বলেছিলেন। নুসরত নিজেও তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে চুপ ছিলেন।

২০১৯ এর ১৯ জুন সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন নিখিল ও নুসরত। সেই সময়ে দুজনের বিয়ে ছিল টলিপাড়ার চর্চার বিষয়। রিসেপশনে হাজির ছিল প্রায় গোটা টলিউড। এমনকী, নুসরত একবার অতিরিক্ত ওষুধ খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর জল্পনা ছড়ায় যে, নিখিলের সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরেই অভিনেত্রী এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন। পরে অবশ্য সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে ফের একসঙ্গে দেখা যায় দুজনকে। কিন্তু এখন ভাঙতে চলেছে সেই সম্পর্ক। গত ৮ জানুয়ারি ছিল সাংসদ, অভিনেত্রী নুসরত জাহানের জন্মদিন। শোনা যাচ্ছে, নুসরতের জন্মদিনের পার্টিতে হাজির ছিলেন না নিখিল। তবে বন্ধু যশ দাশগুপ্ত সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। নিখিল-নুসরতের সম্পর্কে চিড় ধরার খবরে সরগরম টলিউড।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.