কলকাতা : গোটা দেশে করোনা সংক্রমণ লাগাম ছাড়া। কোভিড পরিস্থিতিতে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে প্রত্যেকের কপালে। স্বাস্থ্যের পরিকাঠামো ভেঙে পড়ছে তাসের ঘরের মতো। কোথাও নেই পর্যাপ্ত বেড তো কোথাও নেই পর্যাপ্ত অক্সিজেন সিলিন্ডার। এরকম পরিস্থিতিতে পুনরায় লকডাউন ঘোষণা হতে পারে সারা ভারত জুড়ে এই আশঙ্কা করছে অনেকেই। দৈনিক রেকর্ড সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণে বেসামাল অবস্থা হয়ে পড়েছে রাজ্যগুলোর। বুধবার ভারতে করোনা ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লক্ষের গণ্ডি পার করেছে। এই মুহূর্তে গোটা দেশের কাছে সবথেকে চর্চিত বিষয় হলো অক্সিজেন সিলিন্ডারের অভাব। তাছাড়া হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা, স্বাস্থ্যের পরিকাঠামো নিয়ে হাজারো প্রশ্ন উঠে আসছে বারবার।

এ রকম এক হৃদয় বিদারক ভিডিও দেখে নিজেকে ধরে রাখতে পারলেন না অভিনেত্রী এবং সাংসদ নুসরত জাহান। টুইটারে তিনি পোস্ট করলেন সেই ভিডিয়ো। তাতে দেখা যাচ্ছে অক্সিজেনের অভাবে হন্যে হয়ে এদিক ওদিক ছুটে বেড়াচ্ছেন করোনা রোগীর আত্মীয়রা। আবার কারও বাবা হাসপাতালের বিছানাতে যন্ত্রণায় ছটফট করছেন, কারও মা, ভাই বোন। প্রত্যেকেই নিঃশ্বাস নিয়ে বাঁচতে চাইছেন। কিন্তু নেই প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ।

আজ এই যে স্বাস্থ্যের অবস্থা তার দায়ভার কার? কে নেবে এই স্বজন হারানোর চিন্তাতে কাতর মানুষগুলোর চোখের জলের দায়িত্ব? এই নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির উদ্দেশ্যে তোপ দেগে রাগে ক্ষোভে ফুঁসে উঠলেন তিনি।

একরাশ প্রশ্ন তিনি ছুঁড়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দিকে। তিনি লিখলেন, দেশে এই চরম সংকটের সময়ে প্রধানমন্ত্রী বাইরে অক্সিজেন রফতানি করছেন বলে আজ দেশবাসীকে এই অভাবে পড়তে হয়েছে।এ-দিকে তাঁর নিজের দেশের মানুষের নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য কাতরাচ্ছেন’। নীচে বড় বড় হরফে লিখেছেন, ‘এটা অপরাধ’। তিনি আরও লিখেছেন, দেশের জন্য সঠিক মজুত না রেখে ৬৫ শতাংশ টিকা কেন রফতানি করা হল? সর্বশেষে প্রশ্ন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরামর্শ মত দেশের মানুষকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে টিকা দেওয়া যাবে না কেন?

টুইটারে নুসরতের ৮ লক্ষ ১২ হাজার ফলোয়ার,তাঁর এক আবেদনেই সাড়া পড়ে গোটা দেশে। এই মুহূর্তে সবথেকে বেশি চর্চায় হ্যাশট্যাগ ‘উই কান্ট ব্রিদ’।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.