কলকাতা- বিয়ের পরে প্রথম পুজো অভিনেত্রী তথা সাংসদ নুসরত জাহানের। তাই বিয়ে নিয়ে যে বিশেষ উত্তেজনা থাকবে তাঁদের, তা বলাই বাহুল্য। তাই স্বামী নিখিল জৈনকে পুজো মণ্ডপে গিয়ে অষ্টমীর অঞ্জলি দিলেন। সঙ্গে আবার দুজনে মিলে ঢাকও বাজালেন।

অষ্টমীর সকালেই নবদম্পতি পৌঁছে যান দক্ষিণ কলকাতার সুরুচি সঙ্ঘের পুজো মণ্ডপে। স্বামী স্ত্রী রং মিলিয়ে পোশাকও পরেন এদিন। নুসরতকে টুকটুকে লাল শাড়ির সঙ্গে হলুদ ব্লাউজ, সিঁথিতে সিঁদুর, খোঁপায় ফুল ও ভারী গয়নায় সব সময়ের মতোই সুন্দর লাগছিল। অন্যদিকে রং মিলিয়ে পাঞ্জাবি পরেছিলেন নিখিল।

পুজো মণ্ডপে একেবারে সাবেকি দম্পতির বেশেই পৌঁছে যান দুজনে। অষ্টমীতে পুষ্পাঞ্জলি দেন নুসরত ও নিখিল। এর পরেই নুসরত কোমরে শাড়ি গুঁজে ও নিখিল পাঞ্জাবির হাতা গুটিয়ে ঢাক বাজানো শুরু করেন। আর নবদম্পতিকে সঙ্গ দিলেম মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস।

তবে শুধু অষ্টমী নয়। চতুর্থী থেকেই পুজোর আনন্দ শুরু করে দিয়েছেন নুসরত ও নিখিল। পঞ্চমী, ষষ্ঠী, সপ্তমী, অষ্টমী, সব মিলিয়ে রোজ আলাদা আলাদা লুকে ছবি পোস্ট করছেন তারকা-সাংসদ। বিয়ের প্রথম পুজো বলে কথা।

প্রসঙ্গত, এবার সুরুচি সঙ্ঘের থিম সং-এও নুসরতকে দেখা গিয়েছে। এই থিম সংটি লিখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুর করেছেন জিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং গেয়েছেন শ্রেয়া ঘোষাল। গানটির ভিডিওয় প্রথম বার জুটি বাঁধতে দেখা গিয়েছে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ও নুসরত জাহানকে।

এবারের লোকসভা নির্বাচনে বসিরহাট কেন্দ্র থেকে দাঁড়িয়েছিলেন নুসরত জাহান। বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে কিছুদিনের মধ্যেই জানান বিয়ে করতে চলেছেন তিনি। ইস্তানবুলে গিয়ে বিয়ে করেন নুসরত-নিখিল। বিয়ে করে এসেই লোকসভায় শপথ গ্রহণ করেছিলেন তিনি। সিঁথিতে সিঁদুর, হাচে চূড়া ও গলায় মঙ্গলসূত্র পরে সেদিন উপস্থিত ছিলেন তিনি। এর জন্য কট্টরপন্থীদের নিশানায় পড়তে হয় তাঁকে। কিন্তু তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, তিনি মুসলিম আছেন ও থাকবেন। কিন্তু অন্য ধর্মের প্রতি তিনি শ্রদ্ধাশীল। কট্টরপন্থীদের ফতোয়ায় কোনও তোয়াক্কা করেননি তিনি। এর পরে তাঁকে ইস্কনের রথযাত্রায় দড়ি টানতেও দেখা গিয়েছিল।

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.