কলকাতা- একের পরে এক উৎসবে সামিল হয়ে একাধিকবার কট্টরপন্থীদের ফতোয়ার সম্মুখীন হয়েছেন নুসরত জাহান। কিন্তু তিনি যে এই সব ফতোয়ার তোয়াক্কা করেন না, তা আরও একবার প্রমাণ করে দিলেন নব নির্বাচিত সাংসদ তথা অভিনেত্রী। আজ ভাইফোঁটাতেও স্বামী নিখিল জৈনকে নিয়ে পৌঁছে যান নুসরত।

প্রতিবছরই তারকারা ভাইফোঁটা দেন অরূপ বিশ্বাসকে। কখনও বৃদ্ধাশ্রমে আবার কখনও নিজের পাড়াতেই এই অনুষ্ঠান রীতিমতো ঘটা করে পালন করেন অরূপ বিশ্বাস। এবারেও নবনীড় বৃদ্ধাশ্রমে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সিঁথিতে সিঁদুর ও গলায় মঙ্গলসূত্র পরে লোকসভায় সাংসদ হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন নুসরত জাহান। তখন থেকেই শুরু হয় কট্টরপন্থীদের ফতোয়া। তখনই তিনি স্পষ্ট করে দেন তিনি মুসলিমই থাকবেন। কিন্তু অন্যান্য ধর্মের উপরেও তাঁর শ্রদ্ধা থাকবে। কথা মতোই ইস্কনের রথ যাত্রয়া অংশ নিয়েছিলেন তিনি। এর পরে দুর্গা পুজোয়া অষ্টমীতে নিখিলকে নিয়ে অঞ্জলি দেন নুসরত। ফের তিনি কট্টরপন্থীদের আক্রমণের মুখে পড়েন। তিনি ইসলাম ধর্মের অবমাননা করছেন বলে অভিযোগ তোলে কট্টরপন্থীরা। এমনকী নুসরত যাতে তাঁর নাম বদলে ফেলেন, সেই দাবিও করেন তাঁরা। কিন্তু নুসরত জানিয়ে দেন, তিনি ঈশ্বরের বিশেষ সন্তান। তাই তাঁর কাছে ধর্মের থেকেও বড় মানবতাবাদ ও ভালোবাসা।

প্রসঙ্গত, এদিন ভাইফোঁটার মঞ্চে আর এক তারকা সাংসদ মিমি চক্রবর্তীর হাতেও প্রতি বছরের মতো ভাইফোঁটা নিলেন অরূপ বিশ্বাস। এছাড়াও ছিলেন ইমন চক্রবর্তী, প্রিয়ঙ্কা সরকার, জুন মালিয়া ও রণিতা। এদিন ভাইফোঁটার আসর মাতিয়ে রাখেন ইমন ও মিমি। ইমন রঙ্গবতী গানটি গান। তাঁর গানের সঙ্গে কোমর দোলান নুসরত। অন্যদিকে নিজের অ্যালবাম থেকে একটি সিঙ্গল গান মিমি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।