স্টাফ রিপোর্টার, বসিরহাট: আমফান পরবর্তী সময়ে কেমন আছে হিঙ্গলগঞ্জ?‌ সেখানকার পরিস্থিতি দেখতে হিঙ্গলগঞ্জ পরিদর্শন করলেন স্থানীয় সাংসদ নুসরত জাহান। পরিদর্শননের পর প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে করলেন জরুরি বৈঠক করেন নুসরত। বৃহস্পতিবার সকালে প্রথমে হিঙ্গলগঞ্জ বটতলার বিএসএফ ঘাটে যান নুসরত। লঞ্চে করে পরিবর্শন করেন গোটা এলাকা।

ক্ষতিগ্রস্ত উত্তর ২৪ পরগনা সুন্দরবন চারটি ব্লকে বিদ্যুৎ, খাদ্য ও পানীয় জল সরবরাহের জন্য যুদ্ধকালীন তৎপরতায় যাতে কাজ হয়, সেকথা বলেন তিনি। হিঙ্গলগঞ্জের বোলতলা ৪৭ নম্বর বিএসএফ ক্যাম্পের জ‌ওয়ান সঙ্গে এদিন কথা বলেছেন নুসরত। এরপর হিঙ্গলগঞ্জ মিনাখা হাসনাবাদ বিডিও অফিসে সেচ দফতরের সঙ্গে দুর্যোগ মোকাবেলা নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করেন তিনি। কীভাবে পরিস্থিতি দ্রত স্বাভাবিক করা যায়, তা নিয়েও হয় আলোচনা।

ঘূর্ণিঝড় আমফানে ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে উত্তর ২৪ পরগণার বসিরহাট। এখনও পর্যন্ত সেখানে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রশাসন জানিয়েছে। আমফানের ধ্বংসলীলার পর টুইটারে নুসরত লিখেছিলেন, “এই সময় সকলকে পরস্পরের পাশে থাকতে হবে। সকলে মিলে প্রার্থনা করতে হবে, যাতে দ্রুত এই বিপর্যয় কেটে যায়।” এদিনও সবাইকে একই কথা বলেন তিনি।

এদিকে, বসিরহাট কেন্দ্রের আমফান বিধ্বস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন রূপম ইসলাম, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ও মৌসুমী দাশগুপ্ত। এলাকার মানুষের হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন দিয়েছেন তাঁরা। তিনজনকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ধন্যবাদ জানিয়েছেন নুসরত।

তিনি লিখেছেন, “অনেক অনেক ধন্যবাদ রূপম ইসলাম, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, মৌসুমী দাশগুপ্ত এবং তাঁদের বন্ধুদের বসিরহাট কেন্দ্রের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ওনাদের সাহায্য করার জন্য। ধন্যবাদ ওই সকল প্রবাসী বঙ্গবন্ধুদের যাঁরা এই ত্রাণের জন্য আর্থিক সাহায্য পাঠিয়েছেন। আমি চিরঋণী রইলাম।”

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প