স্টাফ রিপোর্টার, বহরমপুর: রোগী মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে৷ এরপরই নার্স ও আয়াদের বিক্ষোভে সরগরম হয়ে ওঠে হাসপাতাল চত্বর৷ রোগীর পরিবারের তরফে কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্স ও আয়াদের হেনস্থার অভিযোগ ওঠে। নিরাপত্তার দাবিতে এমএসভিপি-র দ্বারস্থ হন তাঁরা। জুনিয়র চিকিৎসকদের সঙ্গে কর্ম বিরতিতে সামিল হন নার্স ও আয়ারা৷ পরে এমএসপিপি নিরাপত্তার আশ্বাস দিলে তারা আবার কাজে যোগ দেন।

জানা গিয়েছে, চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগ মৃতের পরিবারের সদস্যদের। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় হাসপাতাল চত্বরে। ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশবাহিনী। শ্বাসকষ্ট নিয়ে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভরতি হন বহরমপুর থানার নওপাড়া এলাকার বাসিন্দা বছর ৫০ এর চাঁদনীওয়ারা বিবি। কিন্তু ভরতি হওয়ার পর আর তার কোন রকম চিকিৎসা করা হয়নি বলে অভিযোগ পরিবারের।

এর কিছুক্ষণ পরই রোগীর মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ পরিবারের। তার মৃত্যুর পরেও চিকিৎসকরা তাকে দেখেনি বলেও মারাত্মক অভিযোগ পরিবারের। পরে প্রায় আড়াই ঘণ্টা পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই মহিলাকে দেখতে যান বলে অভিযোগ। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ। আর এরপরেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে মৃতের পরিবারের সদস্যরা।

রীতিমত হাসপাতাল জুড়ে তাণ্ডব চালাতে থাকেন তারা। ফিমেল মেডিসিন বিভাগে গিয়ে চিকিৎসককে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। চিকিৎসকদের সঙ্গেও বাদানুবাদে জড়িয়ে পরে বলে অভিযোগ। বেশ কিছুক্ষণ বাদানুবাদের জেরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে ওই ওয়ার্ডে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এই ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসে আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকরা। এতেই তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় হাসপাতাল চত্বরে। একদিকে হাসপাতালের ভিতরে দাপিয়ে বেরায় জুনিয়র চিকিৎসরা অন্যদিকে হাসপাতালের গেটের বাইরে ক্ষোভে ফুসতে থাকে মৃতের পরিবার পরিজনেরা। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ