হাস্টন: কমলা হ্যারিসকে হুমকি দেওয়ার জন্য গ্রেফতার করা হল এক মহিলাকে। তিনি ফ্লোরিডার বাসিন্দা। পেশায় নার্স। তাঁর বিরুদ্ধে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে খুনের হুমকি দেওযার অভিযোগ উঠেছে। শনিবারই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ওই নার্সের নাম নিভিয়ানে পেটিট ফেল্পস। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট খুনের হুমকি পাওয়ার পর মার্কিন সিক্রেট সার্ভাস তদন্তভার হাতে নেয়। তারপরই এই নার্সকে গ্রেফতার করা হয়। জানা গিয়েছে, ফেল্পস জেনে বুঝেই কমলা হ্যারিসকে খুনের হুমকি দিয়েছিলেন। এই নিয়ে ফ্লোরিডার দক্ষিণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জেলা আদালতে এই নিয়ে একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযোগ অনুসারে, ১৩ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্টকে হত্যা ও শারীরিক ক্ষতি করার হুমকি দিয়েছেন ফেল্পস। ২০০১ সাল থেকে জ্যাকসন হেলথ সিস্টেমে কাজ করেন তিনি। অভিযোগে এও বলা হয়েছে, ফেল্পস তাঁর জেলে বন্দি স্বামীকে জেপে-র মাধ্যমে ভিডিও-ও পাঠিয়েছেন। এটি একটি কম্পিউটর অ্যাপ্লিকেশন। এর মাধ্যমে জেলে বন্দি কয়েদিদের সঙ্গে পরিবারের সদস্যরা যোগাযোগ রক্ষা করেন।

জানা গিয়েছে, ওই ভিডিওতেই দেখা গিয়েছে ফেল্পস ক্য়ামেরার সামনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের বিরুদ্ধে বেশ রাগত স্বরে কথা বলছেন। সেখানেই কমলা হ্যারিসকে খুনের হুমকি দেন তিনি। ফেল্পস সেখানে স্পষ্ট বলেছেন, “কমলা হ্যারিস তুমি মরতে চলেছো। দিন গোনা শুরু করো।” অন্য আর একটি ভিডিওয় ফেল্পস বলেছেন, “আমি গান রেঞ্জের মধ্যে যাচ্ছি। ঈশ্বরের কাছে দিব্য করছি আজ তোমার দিন। তুমি মারা যাবে। আজ থেকে ৫০ দিন পর। এই দিনটিকে চিহ্নিত করে রাখো।” ফেল্পস এও বলেন যে তিনি বিশ্বাস করেন কমলা হ্যারিস আসলে কৃষ্ণাঙ্গ নন। উদ্বোধনের সময় তিনি অসম্মানজনকভাবে তাঁর হাত বাইবেলের পরিবর্তে তার ক্লাচ পার্সে রেখেছিলেন। তদন্তকারীরা একটি ছবিও পেয়েছেন যেখানে শুটিংয় পরিসরে ফেল্পসকে দেখা গিয়েছে। তাঁরা হাতে একটি পিস্তল ধরাছিল। বুলেট হোলে টার্গেটের পাশে দাঁড়িয়ে হাসছিলেন তিনি। প্রসঙ্গত ফেল্পস ফেব্রুয়ারিতে গোপনে অস্ত্রের অনুমতি চেয়ে আবেদনও করেছিলেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.