Melbourne enters new lockdown,
অস্ট্রেলিয়ান ওপেন ২০২১৷

মেলবোর্ন: মারণ করোনাভাইরাসের দাপটে বিশ্বজুড়ে প্রথা ভাঙছে একের পর এক মেজর স্পোর্টিং ইভেন্ট। এবার সেই তালিকায় নাম লেখাতে পারে ২০২১ অস্ট্রেলিয়ান ওপেন। প্রথা ভেঙে মেলবোর্ন পার্ক থেকে সরে ২০২১ বছরের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম অনুষ্ঠিত হতে পারে নিউ সাউথ ওয়েলসে। ভিক্টোরিয়া প্রদেশে সাম্প্রতিক সময়ে করোনা সংক্রমণের বাড়বাড়ন্ত দেখে টুর্নামেন্ট আয়োজনে আসরে নামল নিউ সাউথ ওয়েলস।

নিউ সাউথ ওয়েলসের ডেপুটি প্রিমিয়র জন বারিলারো জানিয়েছেন, প্রতিবেশী ভিক্টোরিয়া প্রদেশ কোভিড১৯ সংক্রমণের কারণে আয়োজন না করতে পারলে তাঁদের রাজ্য অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের মতো মেজর স্পোর্টস ইভেন্ট আয়োজনে প্রস্তুত। বারিলারো বলেছেন, অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশে অস্ট্রেলিয়া ওপেনের একটা জাতীয় গুরুত্ব রয়েছে। পাশপাশি এটা অর্থনীতির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ। তাই নিউ সাউথ ওয়েলস ডেপুটি প্রিমিয়র আশ্বাসের সুরে জানিয়েছেন, ‘আমরা ভিক্টোরিয়া প্রদেশের সঙ্গে সহযোগীতা করেই অস্ট্রেলিয়া ওপেন আয়োজনের বিষয়টি নিশ্চিত করতে প্রস্তুত। সংকটের সময় এমন ইভেন্ট আয়োজন না হওয়ার চেয়ে আয়োজন হওয়া অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’

উল্লেখ্য, ১৯৭২ থেকে ভিক্টোরিয়া প্রদেশের মেলবোর্নে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন আয়োজিত হয়ে আসছে। এই গ্র্যান্ড স্ল্যামের মধ্যে দিয়েই টেনিসের বছর শুরু হয়। তবে টুর্নামেন্ট অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে আয়োজকরা এখনও কোনও বিকল্প পরিকল্পনা গ্রহণ করেনি বলে জানিয়েছে টেনিস অস্ট্রেলিয়া। টেনিস অস্ট্রেলিয়ার মুখ্য আধিকারিক ক্রেগ টিলে জানিয়েছেন, ‘আমরা আরও কয়েক সপ্তাহ পরিস্থিতির দিকে নজর রাখব। তবে আমরা মেলবোর্নেই প্রথা মেনে সাড়ম্বরে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন আয়োজনের পরিকল্পনা করছি। আমাদের উন্নতমানের পরিকাঠামো রয়েছে। মেলবোর্ন পার্ক অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের কাছে দায়বদ্ধ।’

উল্লেখ্য, ভিক্টোরিয়া প্রদেশে করোনা সংক্রমণের বাড়বাড়ন্তের কারণে বছর শেষে বক্সিং-ডে টেস্ট ম্যাচও প্রথার বিরুদ্ধে গিয়ে মেলবোর্ন থেকে সরতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আগামী ২৬-৩০ ডিসেম্বর ভারত-অস্ট্রেলিয়া বক্সিং-ডে টেস্ট ম্যাচের ভেন্যু পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। সিডনি মর্নিং হেরাল্ডে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী মেলবোর্নের পরিবর্তে বক্সিং-ডে টেস্ট ম্যাচ আয়োজনের দৌড়ে সবার প্রথমে রয়েছে অ্যাডিলেড। সব ঠিকঠাক থাকলে অ্যাডিলেডেই অনুষ্ঠিত হবে বক্সিং-ডে টেস্ট ম্যাচ। উল্লেখ্য, করোনার জেরে এই মুহূর্তে দ্বিতীয়বার লকডাউন চলছে ভিক্টোরিয়া প্রদেশে। সেখানে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৮ হাজারের কাছাকাছি। যেখানে নিউ সাউথ ওয়েলসের সংখ্যাটা মাত্র ৮০০।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।