নয়াদিল্লি: দেশের মাটিতে জনাদেশ মোদীর পক্ষে৷ একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেয়েছে বিজেপি৷ সমীক্ষা বলছে, ভারত ছাড়িয়ে বিদেশেও বাড়বাড়ন্ত মোদীর সমর্থন৷ মার্কিন নিবাসী অনাবাসী প্রায় ৯৪ শতাংশ ভারতীয়ই মনে করেন মোদীর হাতেই সুরক্ষিত দেশের পরিচালন ভার৷

সন্ত্রাস নির্মূল থেকে আর্থিক সংস্কার, বিদেশ দফতর পরিচালনা থেকে অনাবাসীদের সমস্যা দূরীকরণ সবতেই বিগত পাঁচ বছরে মোদী সরকার ভালো কাজ করেছে বলে মনে করেন মার্কিন নিবাসী অনাবাসী ভারতীয়রা৷ দেশের পরিকাঠামো নির্মান, কেন্দ্রীয় সরকারী বিভিন্ন প্রকল্প ও তার রূপায়ণেও বিজেপির উদ্যোগ প্রশংসা কুড়িয়েছে তাদের কাছে৷

আরও পড়ুন: Breaking News: সিবিআই দফতরে হাজির হলেন অর্ণব ঘোষ

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছে ৩০২ আসন৷ এনডিএ-র ঝুলিতে ৩০৩ আসন৷ শতাংশের বিচারে যা মোট ভোটের ৩৭.৪ ও ৪৫ শতাংশ৷ তুলনায় কংগ্রেসকে ১৯.৫ শতাংশ ভোট পেয়েই থামতে হয়েছে৷

মার্কিন নিবাসী অনাবাসী ভারতীয়দের মধ্যে দেশের লোকসভা ভোট নিয়ে একটি সমীক্ষা চালান হয়৷ এই সমীক্ষা চালায়

যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক সংস্থা public and international policy platform Foundation for India and Indian Diaspora Studies (FIIDS)৷ সেখানেই দেখা যাচ্ছে মোদী ফের ক্ষমতায় ফেরায় খুশি অনাবাসীরা৷ সমর্থনের সংখ্যাটা প্রমাণ করে মোদীর জনপ্রিয়তা৷

সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, ৯৩.৯ শতাংশ অনাবাসী মার্কিন ভারতীয় খুশি নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে বিজেপি ফের ক্ষমতায় ফেরায়৷ এর মধ্যে ৯২ শতাংশই বলেছেন ২০১৪-র আগের তুলনায় ভারতের অবস্থা সবদিক থেকেই ভালো হয়েছে৷ বিরোধীরা যখন প্রচার করছে মোদীর আমলেই দেশের বেড়েছে সন্ত্রাসী তার্যকলাপ তখন এই সমীক্ষায় ধরা পড়েছে অন্য ছবি৷ সন্ত্রাস দমনের প্রশ্নে ৯২ শতাংশ মার্কিন ভারতীয় মনে করেন বিজেপির নীতিই সঠিক৷

ভোটে বিরাট সাফল্যের পর দেশজুড়ে আওয়াজ উঠেছে, ‘হর হর মোদী-ঘর ঘর মোদী’৷ ভোটের প্রচারে উঠে এসেছিল গোরক্ষা থেকে হিন্দুবাদীদের তাণ্ডবের ছবি৷ বিরোধীরা নিশানা করেছিল গেরুয়া শিবিরকে৷ বিশ্লেষকরাও অনেকে বলছেন এবার ভোটে প্রাধান্য পেয়েছে ধর্মীয় মেরুকরণ৷ কিন্তু বিদেশে বসে প্রায় ৮২.৫ শতাংশ অনাবাসী ভারতীয়ই মনে করেন ধর্মীয় হিংসা মোদীর আমলে অনেকটাই কমেছে৷

আরও পড়ুন: ভাইরাল নুসরত-মিমির হট ডান্স স্টেপস, প্রশংসায় মুখর রামগোপাল ভার্মা

পাসপোর্ট তৈরির পক্রিয়া সরলীকরণ থেকে ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে কেন্দ্র গত পাঁচ বছরে বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ করেছে৷ যা নজর এড়ায়নি অনাবাসীদের৷ তাই বিদেশমন্ত্রকের কাজে খুশি প্রায় ৯৫.৫ শতাংশ মানুষ৷ যা সমর্থনের নিরিখে সর্বোচ্চ৷

ভারতীয় অর্থনীতির ভিত্তিকে দৃঢ় করতে বিজেপি নোটবন্দী থেকে জিএসটি, একের পর এক পদক্ষেপ করেছে, সামাজিক উন্নয়নে বেড়েছে কেন্দ্রীয় প্রকল্প৷ যাকে সমর্থন করেছে অনাবাসী মার্কিন ভারতীয়রা৷ সমীক্ষায় প্রকাশ, রেল পথ-রাস্তার মত পরিকাঠামো উন্নয়নে মোদী সরকারের কাজকে সমর্থন করেছে ৯৩ শতাংশ৷ স্বচ্ছ ভারত অভিযানকে সমর্থন করেছেন প্রায় ৮৫ শতাংশ অনাবাসী মার্কিন ভারতীয়৷

বিরোধীরা যে অস্ত্রে বিজেপিকে বিঁধতে চেয়েছিল সেই অস্ত্রেই মাত মোদী ম্যাজিক, তা সে দেশ হোক বা বিদেশ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.