শিলং: নাগরিকপঞ্জীতে বাদ পড়েছেন অনেক ভারতীয়। আর জায়গা পেয়েছেন বহিরাগতরা। তাই এই তালিকা সঠিক হয়নি। এক মামলার শুনানিতে এমনটাই বললেন মেঘালয় হাইকোর্টের বিচারপতি সুদীপ রঞ্জন সেন। তাঁর কথায়, ”ভারতকে ইসলামিক দেশে পরিণত করার চেষ্টা না করাই উচিৎ। তাহলে সেটাই হবে ভারত তথা পৃথিবীর জন্য ডুমস ডে।”

এদিন তিনি বলেন, ”নরেন্দ্র মোদীর সরকারই একমাত্র এই বিষয়ের গুরুত্বটা বুঝবে। আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জাতীয় স্বার্থে সমর্থন থাকা উচিৎ।” হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, ক্রিশ্চান, পার্সি, খাসি, জয়ন্তিয়া, গারো যারা পাকিস্তান, বাংলাদেশ কিংবা আফগানিস্তান থেকে ভারতে এসেছে তাদের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রীকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেন তিনি। একই সঙ্গে ভারতের যারা বিদেশে রয়েছেন তাদের সুরক্ষার কথাও বলেন বিচারপতি।

বিচারপতি বলেন, ”বারাক ভ্যালি ও অসমের সব হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি, কারণ আমাদের সবার ধর্ম ও সংস্কৃতি একই। শুধু ভাষার জন্য কারও কাউকে ঘৃণা করা উচিৎ নয়।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ভারত একসময় হিন্দু রাজাদের দ্বারাই প্রভাবিত ছিল। কিন্তু মুঘলরা এসে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় রাজত্ব শুরু করে। সেইসময় ধর্মান্তরণ হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, পাকিস্তান নিজেদের ইসলামিক দেশ হিসেবে ঘোষণ করেছে। ভারতেরও উচিৎ হিন্দু দেশ হিসেবে নিজেদের ঘোষণা করা। তবে ভারতের নিরপেক্ষ থাকা উচিৎ বলে মন্তব্য করেন বিচারপতি সেন।

সব শেষে তিনি এও বলেন যে ভারতে বসবাসকারী মুসলিম ভাইবোনদের বিরুদ্ধে তিনি নন। তাঁদের শান্তিতে বসবাস করতে দেওয়া উচিৎ বলে মনে করেন তিনি।