ফাইল

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রাষ্ট্রসংঘকে দিয়ে এনআরসি ও নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে দেশে গণভোটের দাবি জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রানি রাসমণি রোডে প্রতিবাদ সভায় মমতা বলেন,”এটা অস্তিত্বের লড়াই। রাজনীতির রং ভুলে সবাই প্রতিবাদে শামিল হন। সারা ভারতবর্ষে একটা গণভোট হোক হয়ে যাক। আপনি করবেন না। রাষ্ট্রসঙ্ঘ করবে। মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিরা থাক। তাদের নিয়ে কমিটি হোক। তৃণমূলের থাকার দরকার নেই। বিজেপির থাকার দরকার নেই। হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খৃষ্ট্রানের দরকার নেই।”

এর আগে টানা তিনদিনের মিছিলের পর এ দিন বিকেলেও কলকাতার রাজপথে সভা করছেন মমতা। তিনি রানি রাসমণি অ্যাভিনিউয়ের ফের সিএএ বিরোধিতায় গর্জে উঠে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে হুঁশিয়ারি দেন।

প্রথমে কাঁসর-ঘণ্টা বাজিয়ে একত্রে ‘আমরা সবাই নাগরিক স্লোগান’ তোলার পর তিনি নিজে ব্ল্যাকবোর্ডে ‘নাগরিক সবাই’ লিখে তার নিচে চোখে ছবি এঁকে দেন। এরপর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, মনে রাখবেন, আমরা সবাই স্বাধীন দেশের নাগরিক। কারও দয়ায় এদেশের বসবাস করি না। সব মহল থেকে CAA প্রতিবাদ চলছে, চলবে। এটা বাতিল করতেই হবে। স্বাধীনতার ৭৩ বছর পর সবাইকে প্রমাণ করতে হবে যে সে নাগরিক?

এ দিনই বেঙ্গালুরুতে নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখানোর সময় আটক করা হয় ইতিহাসবিদ রামচন্দ্র গুহকে। তিনি টাউন হলের বিক্ষোভে শামিল হয়েছিলেন। তাঁকে আটক করার পরে প্রবীণ ইতিহাসবিদ বলেন, ”হাতে গান্ধীর পোস্টার নেওয়ার জন্য ও সংবাদমাধ্যমকে সংবিধানের বিষয়ে বলার জন্য আমাকে আটক করা হল”।

এ বিষয়ে মমতা বলেন, ”এই সরকার পড়ুয়াদের ভয় পায়। এই সরকার ভারতের অন্যতম সফল ইতিহাসবিদকে সিএএ এবং সিএবি নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের কাছে কথা বলার জন্য এবং হাতে গান্ধীজির পোস্টার ধরার জন্য ভয় পেয়েছে। আমি রামচন্দ্র গুহকে আটকের নিন্দা জানাই। আটককৃত সকলের প্রতি আমরা আমাদের সম্পূর্ণ সংহতি জানাই”।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও